দিল্লির বাবারা এলেও বাঁচাতে পারবে না খুনিদের! তৃণমূল নেতা খুনে গর্জে উঠলেন অভিষেক
হুগলির খানকুলে নিহত তৃণমূল নেতা মনোঞ্জন পাত্রের বাড়ি গিয়ে গর্জে উঠলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে অভিষেক বিজেপিকে নিশানা করেন।
হুগলির খানকুলে নিহত তৃণমূল নেতা মনোঞ্জন পাত্রের বাড়ি গিয়ে গর্জে উঠলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে অভিষেক বিজেপিকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্তরা শাস্তি পাবেই। কাউকে রেয়াত করা হবে না। দিল্লির নেতারাও বাঁচাতে পারবে না অভিযুক্তদের।

হুগলির খানকুলে তৃণমূল নেতা মনোরঞ্জন পাত্রের হত্যাকাণ্ডের পরই তাঁর পরিবারের পাশে সমবেদনার বার্তা নিয়ে যান অভিষেক। এদিন আক্রমণাত্মক ঢঙেই তিনি বলেন, সিপিএমের হার্মাদরাই আজ বিজেপি জল্লাদ হয়েছে। নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে রাজ্যে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করছে তারা।
আমরা বদলা চাই না, আমরা চিরকাল বদল চেয়ে এসেছি। আজও তাই চাই। আমরা যদি ইচ্ছা করি, রক্তের বদলে রক্ত ঝরাতে, প্রাণের বদলে প্রাণ কাটতে এক মুহূর্ত সময় লাগবে, কিন্তু আমরা তা করি না। আমরা তা করব না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল শান্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তিনিই আমাদের শান্ত থাকতে শিখিয়েছেন।
এরপরই তিনি তোপ দেগে বলেন, কোনও অপরাধী ছাড়া পাবে না। দিল্লির কোন বাবাও অপরাধীদের বাঁচাতে পারবে না। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়ে দলীয় কর্মীদের সংযত থাকার বার্তা দেন। তিনি বলেন, প্রশাসনেরউপর ভরসা রাখুন। অপরাধ করে কেউ পার পাবেন না। সবাই যোগ্য শাস্তি পাবে।
হুগলির খানাকুলের হরিশচকের বাসিন্দা তথা খানকুল ২ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য মনোরঞ্জন পাত্র শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন। কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি তাঁকে। মনোরঞ্জনের পরিজন-প্রতিবেশীরা এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেও কোনও হদিশ পায়নি। এরপর দলীয় কার্যালয় পাশ থেকে উদ্ধার করা হয় তৃণমূল নেতার দেহ।
স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের দাবি, সপ্তাহখানেক আগে এলাকাতেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল মনোরঞ্জন পাত্রকে। তারপরই খুন তৃণমূল নেতা। ইতিমধ্যেই ৪ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।












Click it and Unblock the Notifications