'গুলি খেতেও প্রস্তুত, নবান্ন অভিযান হবেই', বৈঠক ব্যর্থ হতেই হুঁশিয়ারি চাকরি প্রার্থী-চাকরিহারাদের
নবান্ন অভিযান নিয়ে হাওড়া সিটি পুলিশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বঞ্চিত চাকরি প্রার্থী, চাকরিজীবী ও চাকরিহারা ঐক্য মঞ্চের বৈঠক ভেস্তে গেলো। শুক্রবার শিবপুর পুলিশ লাইনে হাওড়ার পুলিশ কমিশনারের সাথে তাঁদের দীর্ঘক্ষণ বৈঠক চলে। এরপর শিবপুর থানায় বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে আন্দোলনকারীরা বলেন, নবান্ন অভিযান (2025 Nabanna Abhijan) হচ্ছেই। তাতে গুলি খেতেও প্রস্তুত তাঁরা। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা বঞ্চিত। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে তাঁরা দেখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়নি।
জানা যায়, এরপর এদিন লালবাজারে চাকরি প্রার্থী, চাকরিজীবী ও চাকরিহারা ঐক্য মঞ্চের সদস্যদের ডেকে পাঠানো হয় আলোচনার জন্য। কিন্তু তাদের দাবি একটাই সেটা হলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক। সেই দাবি না মানলে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় খাকবেন তাঁরা। এমনটাই জানান সংগঠনের অন্যতম সদস্য আশীষ খামরুই।

শিবপুর থানা থেকে বেরিয়ে তাঁরা এদিন লালবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, শিক্ষিত সমাজের উপর আবারও লাঠি পড়বে। আবারও গুলি চলবে। রাজনৈতিক, অরাজনৈতিক, বুদ্ধিজীবী সহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে দলীয় পতাকা ছাড়া আমরা আহ্বান করেছি। বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের পাশে যাতে সবাই দাঁড়ায় এইটুকু আমরা আশা রাখছি। লালবাজারে শেষ দফা আলোচনা হবে। তারপর আর আলোচনার জায়গা নেই। আমাদের অনেক টাকা খরচ করে এখানে আসতে হয়েছে। একই কথা শোনাবার জন্য বারেবারে না ডাকলেই পারতেন বলেও ক্ষোভ উগরে দেন ঐক্যমঞ্চের সদস্যরা।
বলে রাখা প্রয়োজন, একদিকে চাকরির দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলন চলছে অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার। যা নিয়ে ক্ষোভ ব্যাপক আকার নিয়েছে। আর সেই ক্ষোভ থেকেই তৈরি হয়েছে চাকরি প্রার্থী, চাকরিজীবী ও চাকরিহারা ঐক্য মঞ্চ। আর এই মঞ্চের তরফে গত কয়েকদিন আগেই নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। আর এই অভিযানকে ইতিমধ্যে সমর্থন করেছে বিজেপি।
এই প্রসঙ্গে গত কয়েকদিন আগেই সুকান্ত মজুমদার জানিয়েছিলেন, এই অভিযানে তাঁদের সমর্থন আছে। আগামীদিনে তাঁরাও নবান্ন অভিযান করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।












Click it and Unblock the Notifications