ফের প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল! আদি-নব্যের ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ
ফের বিজেপিতে আদি-নব্যের মধ্যে লড়াই! আর সেই লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ! কার্যত ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কার্যত দলের মধ্যে বিদ্রোহের আগুন। একের পর এক নেতা মুখ খুলতে শুরু করেছে।
ফের বিজেপিতে আদি-নব্যের মধ্যে লড়াই! আর সেই লড়াইয়ের মধ্যে পড়ে গেলেন দিলীপ ঘোষ! কার্যত ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কার্যত দলের মধ্যে বিদ্রোহের আগুন। একের পর এক নেতা মুখ খুলতে শুরু করেছে।

শুধু তাই নয়, ভোটের আগে যে সমস্ত নেতা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে বিজেপিতে প্রার্থী হয়েছিলেন তাঁরা আজ নিখোঁজ। এমনকি ভোটের পর থেকে আর বিজেপিমুখী হননি তাঁরা।
যা নিয়ে বারবার অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে খোদ রাজ্য নেতৃত্বকে। গত ২৪ ঘন্টা আগে নিখোঁজ থাকা নব্য বিজেপি নেতাদের উদ্দেশ্যে দিল্লিতে অভিযোগও জানিয়ে এসেছেন দিলীপ ঘোষ।
জানা গিয়েছে, আজ বর্ধমানে সাংগঠনিক বৈঠক করতে যান দিলীপ ঘোষ। সেখানে জেলা নেতৃত্বের সবাই উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু হঠাত করে দলের এক পুরানো নেতা ইন্দ্রনীল গোস্বামীকে ওই বৈঠকে না ডাকা নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।
দিলীপ ঘোষের সামনে দরজা খুলে বৈঠকের মধ্যে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করেন ওই নেতা। কেন তাঁকে ডাকা হয়নি তা নিয়েও লাগাতার সরব হতে থাকেন ইন্দ্রনীল। গত বিধানসভা ভোটে দলের হয়ে এত খাটার পরেও এমণ অপমান নেওয়া যায় না বলেও অভিযোগ তাঁর।
বেশ দীর্ঘক্ষণ দিলীপ ঘোষের সামনেই কার্যত চলে আদি এবং নব্যের লড়াই। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে পড়ে যেতে হয় দিলীপ ঘোষকেও।
জানা গিয়েছে, বিক্ষুব্ধ ইন্দ্রনীল গোস্বামী আরএসএসের দীর্ঘদিনের সক্রিয় সদস্য। দীর্ঘদিন ধরে বিজেপিতে কাজ করে চলেছেন। তাঁর দাবি, খোদ দিলীপ ঘোষ তাঁর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে পর্যন্ত তাঁর সঙে দিলীপ ঘোষের একাধিক বৈঠক হয়েছে বলে দাবি ইন্দ্রনীলবাবুর।
কিন্তু দলের এম ভরাডুবির পর প্রথম সাংগঠনিক বৈঠকে ঢুকতে না দেওয়াটা তাঁর কাছে লজ্জাজনক বলে দাবি ওই নেতার। বিক্ষুব্ধ ওই নেতার দাবি, এখন বিজেপিতে কিছু ধান্দাবাজ লোক ঢুকে গিয়েছে।
নতুন সভাপতি কয়েকজন তোলাবাজ-ধান্দাবাজকে নিয়ে সগঠন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। পুরানো কর্মীদের ডাকা পর্যন্ত হচ্ছে না বৈঠকে। এভাবে দল আরও হারিয়ে যাবে বলে দাবি তাঁর।
অন্যদিকে এই ঘটনাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন অনুব্রত মন্ডল। তাঁর দাবি, বিজেপি এমন একটা দল নিজেদের স্বার্থ ছাড়া কিছু বোঝে না। স্বার্থ মিটে গেলে মানুষকে ভুলে যায়। বিজেপি একটা যাত্রার দল বলেও কটাক্ষ অনুব্রতের। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলেন। কর্মীরাও তো সে ভাষাতেই কথা বলবে বলে দাবি কেষ্টা মন্ডলের।












Click it and Unblock the Notifications