হাঁসখালিতে তৃণমূল নেতাকে একেবারে কাছ থেকে গুলি, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা
তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। নদিয়ার হাসখাঁলিতে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি। ওই তৃণমূল নেতার নাম সহদেব মন্ডল বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর মাথায় এবং শরীরে গুলি লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চ
তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি। নদিয়ার হাসখাঁলিতে তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি। ওই তৃণমূল নেতার নাম সহদেব মন্ডল বলে জানা যাচ্ছে। তাঁর মাথায় এবং শরীরে গুলি লেগেছে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

যদিও ঘটনার পর এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার পর যে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক পুলিশ প্রশাসন।
কিন্তু পানিহাটি-ঝালদা এবং সদ্য রামপুরহাটের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রাজ্যে চলল গুলি। আর এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা।
জানা যাচ্ছে, বুধবার সন্ধ্যায় বাজার থেকে ফেরার পথে এই ঘটনা ঘটে। হাঁসখালি বাজারের সামনে কেউ বুঝে ওঠার আগে খুব সামনে থেকে সহদেবকে গুলি করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর মাথায় এবং শরীরে গুলি লাগে বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় শক্তিনগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
কিন্তু সেখানে জরুরি পরিষেবা দিলেও অন্যান্য চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব নয়। আর তাই দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্যে রেফার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আর এরপরেই গুরুতর সহদেবকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা। আরও জানা যাচ্ছে, আহত সহদেব স্থানীয় বগুলা ২ নম্বর পঞ্চায়েতে সদস্যার স্বামী। ফলে স্ত্রীয়ের হয়ে সমস্ত কাজই তিনিই দেখা শুনা করতেন। এমনকি সবসময় মানুষের পাশে থাকতেন বলেই দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের। ফলে এই ঘটনা কীভাবে ঘটল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।
এমনকি শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি আশ্রিত দুস্ক্রতিরা থাকতে পারে। এখানে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও ব্যাপার নেই বলেই জাস্ট উড়িয়ে দিয়েছেন নেতৃত্ব।
যদিও বিজেপির তরফে এহেন অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাঁদের পালটা দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা কি সেটা ফের প্রমাণিত হল। মাত্র একমাসের ব্যবধানে রাজ্যের লাগাতার গুলি চালানোর ঘটনা ঘটছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন বিজেপির।
যদিও কেন হামলা তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, পারিবারিক বিবাদের জেরেই এই ঘটনা।












Click it and Unblock the Notifications