Dipa Karmakar: প্যারিস অলিম্পিক্সের টিকিট মেলেনি, প্রথম ভারতীয় হিসেবে অনন্য কীর্তি গড়লেন দীপা কর্মকার
Dipa Karmakar: প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশগ্রহণ যে করতে পারবেন না তা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই। তারপরও বছর তিরিশের দীপা কর্মকার দমে না গিয়ে প্রথম ভারতীয় ইতিহাস গড়লেন।
দীপার আগে আর কেউ এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিততে পারেননি। ২০১৫ সালে দীপা ফিরেছিলেন ব্রোঞ্জ জিতে, এবার এলো সোনা।

২০১৬ সালের রিও অলিম্পিক্সে অল্পের জন্য পদক হাতছাড়া হয়েছিল দীপার। ভল্ট ফাইনালে তাঁকে চতুর্থ স্থান অধিকার করে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। উজবেকিস্তানের তাসখন্দে আজ এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দিনে মহিলাদের ভল্ট ফাইনালে দীপার গড় স্কোর ছিল ১৩.৫৬৬।
এই স্কোরই তাঁর সোনা জয় নিশ্চিত করে। উত্তর কোরিয়ার কিম সন হিয়াং (১৩.৪৬৬) ও জো কিয়ং বিওল (১২.৯৬৬) স্কোরের সৌজন্যে যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জ জিতেছেন। ২০১৫ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্যক্তিগত ফ্লোর এক্সারসাইজে আশিস কুমার ব্রোঞ্জ জেতেন। ২০১৯ ও ২০২০ সালের ভল্ট ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পেয়েছিলেন প্রণতি নায়েক।
সাইয়ের তরফে দীপার এদিনের কীর্তিকে ঐতিহাসিক বলে অভিহিত করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তুরস্কের মার্সিনে এফআইজি বিশ্বকাপে ভল্টে সোনা জিতেছিলেন দীপা। যা বিশ্বব্যাপী জিমন্যাস্টিক্স ইভেন্টে ভারতের কোনও অ্যাথলিটের প্রথম সোনা ছিল। এবার তিনি এশীয় পর্যায়ে সোনা জিতলেন।
ডোপিংয়ের জন্য ২১ মাস নির্বাসিত থাকতে হয়েছিল দীপাকে। তাতেই তাঁর প্যারিস অলিম্পিক্সে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা কমতে শুরু করেছিল। অল-অ্যারাউন্ড বিভাগের পারফরম্যান্সে দীপা অলিম্পিক্সের টিকিট অর্জনে ব্যর্থ হন। কেন না, প্যারিস অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জনের এটিই ছিল শেষ ইভেন্ট। এপ্রিলে দোহায় এফআইজি অ্যাপারেটাস বিশ্বকাপে দীপা ভল্ট ফাইনালে চতুর্থ হন। তার আগে কটবাসে বিশ্বকাপ ইভেন্টে নামেননি। কায়রোয় বিশ্বকাপে পঞ্চম হয়েছিলেন।
দীপা স্পোর্টসস্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, অস্ত্রোপচার ও সাসপেনশনের পর এই পারফরম্যান্সে ভালো লাগছে। আগে কোনও ভারতীয় জিমন্যাস্ট এই প্রতিযোগিতায় সোনা জেতেননি, তাই এই পদকটি আমার কাছে স্পেশ্যাল। কঠিন সময়ে যেভাবে কোচ বিশ্বেশ্বর নন্দী তাঁর পাশে থেকেছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতাও জানান দীপা। দীপা আরও বলেন, অলিম্পিক্সে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারার হতাশা রয়েছে। কিন্তু এখনকার মুহূর্ত উপভোগ করতে চাই।
বিশ্বেশ্বর নন্দী জানান, এশিয়ান সিনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে অলিম্পিক্সের একটিমাত্র জায়গাই ফাঁকা ছিল। সেরা অল-অ্যারাউন্ড পারফর্মারের, যেটি তৃতীয় স্থানাধিকারী ফিলিপিন্সের এম্মা মালাবুয়ো পেয়েছেন। ফলে দীপার কাজটা কঠিনই ছিল। দীপা অল-অ্যারাউন্ডের যোগ্যতা অর্জন পর্বে ষোড়শ ও ফাইনালে চতুর্দশ স্থান পান।












Click it and Unblock the Notifications