নেতা-কর্মীরা আত্মতুষ্টিতে ভুগেছেন, বিধানসভায় বিজেপির হারের কারণ নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু
বিধানসভা ভোরে আগে প্রায় সব সভাতেই অমিত শাহ (amit shah) বলতেন, বিজেপি (bjp) এবার রাজ্যে ২০০ আসন পার করে দেবে। কিন্তু ভোটের ফল বেরোতে দেখা গেল বিজেপি তিন অঙ্গে পৌঁছতে পারেনি। ৭৭ টি আসন পেয়েই এবারের মতো সন্তুষ্ট থাকতে
বিধানসভা ভোটের আগে প্রায় সব সভাতেই অমিত শাহ (amit shah) বলতেন, বিজেপি (bjp) এবার রাজ্যে ২০০ আসন পার করে দেবে। কিন্তু ভোটের ফল বেরোতে দেখা গেল বিজেপি তিন অঙ্কে পৌঁছতে পারেনি। ৭৭ টি আসন পেয়েই এবারের মতো সন্তুষ্ট থাকতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। তবে হারের কারণ বিশ্লেষণ করতে দেখা যায়নি কোনও নেতা, যেরকম এদিন করলেন শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)।

আত্মতুষ্টিতে পরাজিত বিজেপি
এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক সাংগঠনিক জেলার চণ্ডীপুর এবং নন্দকুমারে দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। চণ্ডীপুরের সভায় তিনি বলেন, দলের নেতা-কর্মীরা আত্নতুষ্টিতে ভুগেছেন। সেই জন্যই ভোটে হার। নিজেরাই দলের প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কটুকথা কথা বলেছেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু অধিকারী।

দলের নেতা-কর্মীরা ধরে নিয়েছিলেন ১৭০-১৮০ আসন পাচ্ছেই বিজেপি
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, দলের অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, রাজ্যের ২৯৪ টি আসনের মধ্যে অন্তত ১৭০ থেকে ১৮০ টি আসন বিজেপি পাচ্ছেই। আর পূর্ব মেদিনীপুরের মধ্যে খেজুরি, ভগবানপুর, নন্দকুমার, নন্দীগ্রামে জয় হচ্ছেই। তাই চণ্ডীপুরে হারলে কোনও ক্ষতি নেই। এমনই আত্মতুষ্টি তৈরি হয়েছিল নেতা ও কর্মীদের মধ্যে। সেই কারণেই পরাজয়। এদিন সভাগুলিতে দলীয় কর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশ দেন বিরোধী দলনেতা।

হার নয়, ভোট বৃদ্ধি হয়েছে, বলেছিলেন শুভেন্দু
গত রবিবারে তমলুকের এক সভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ২০১৬ সালে তিনটি আসন থেকে এবার ৭৭ টি আসন। ভোটের শতাংশে ১০.৫% থেকে ৩৮.১০ % বৃদ্ধি। ভোটে হার নয়, ফলাফলকে জয় বলেই কার্যত অভিহিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

তৃণমূলের কটাক্ষ
এদিন শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যের পরেই অবশ্য তাঁকে কটাক্ষ করেছেন, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তিনি বলেছেন, শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছেন শুভেন্দু অধিকারী। মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়ে বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছে বলে দাবি করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications