পাকিস্তানের পর এবার পাঞ্জাব, পঙ্গপালের হামলা উদ্বেগ বাড়িয়েছে কৃষকদের
পাকিস্তানের মতো পাঞ্জাবও অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পঙ্গপালের দৌরাত্ম্যে। জানা গিয়েছে রবিবার রাতে ফজিলকা জেলায় পঙ্গপাল আক্রমণ করে। রাজ্য সরকার েই আক্রমণকে নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রায় ১৩ ঘণ্টা বিশাল, বহু–বিভাগীয় অভিযান চালায়।

এই কীট–পতঙ্গটি প্রতিবেশী রাজ্য রাজস্থান ও পাকিস্তানে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে এসেছে। প্রাথমিকভাবে বেশ কিছুদিন ধরে কিছু পঙ্গপালকে এই প্রদেশে উড়তে দেখা গিয়েছিল এবং আচমকাই একঝাঁক পঙ্গপাল ফজিলকা জেলায় প্রবেশ করে রাজস্থান ও পাকিস্তান সীমান্তের গ্রাম বাকেনওয়ালা ও রূপনগরে চলে যায়। পঙ্গপালের এই হামলা রাজ্যের কৃষকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে তোলে এবং তাঁরা রাজ্যের কৃষি বিভাগের কাছে সাহায্যের জন্য পৌঁছান। কৃষি বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক দাবি করেছেন যে তাঁরা ওই পতঙ্গকে প্রতিরোধ করতে পেরেছেন এবং পঙ্গপাল কোনও ফসলের ক্ষতি করতে পারেনি।
জানা গিয়েছে, কৃষি বিভাগের সঙ্গে বিএসএফ, পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (পিএইউ), পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন, দমকল, উদ্যান বিভাগ ও কৃষকরা পঙ্গপালকে শায়েস্তা করতে ময়দানে নামে। পাঞ্জাব কৃষি বিভাগের ডিরেক্টর স্বতন্ত্রর কুমার আইরি জানান, পাকিস্তানের দিক দিয়ে এই পঙ্গপাল এসেছে। তিনি বলেন, '৪০০–৫০০ টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছে যাতে পঙ্গপাল বিদায় নেয়। পাঞ্জাবের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (কৃষি) বিশ্বজিত খান্না জানিয়েছেন একঝাঁক পঙ্গপালকে প্রতিরোধ করতে এই অভিযান সফল হয়েছে। তিনি আরও জানান, কীটপতঙ্গ প্রতিরোধ করতে তাঁদের দলটি ট্রাক্টর, বুমার স্প্রেয়ার এবং দমকল বিভাগের একটি গাড়িতে লাগানো উচ্চ বেগের স্প্রেয়ার ব্যবহার করেছে।
কিছুদিন আগেই পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক হারে পঙ্গপাল এসে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সেখানের চাষ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন৷ গত শুক্রবারে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পর প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান একটি বিবৃতিতে জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছিলেন৷ তথ্যমন্ত্রী ফিরদৌস আশিক আওয়ান বলেন, 'প্রায় দুই দশক পর আমরা আবার পঙ্গপালের উপদ্রবের মুখোমুখি৷ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছি৷’












Click it and Unblock the Notifications