কী আছে হাতের ফাইলে! ‘কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে’র আগে মুকুলের হুঁশিয়ারিতে কাঁপছেন মমতাও
শহিদ মিনারের সভায় সব কথা বলবেন তিনি। এই বলেই তিনি হাতের ফাইল দেখান। ইঙ্গিত করেন, এই ফাইলের ভিতরে সমস্ত নথিপত্র রয়েছে। ১০ নভেম্বরই তিনি সমস্ত ফাঁস করে দেবেন।
রাজ্য বিজেপি দফতরে পা রেখেই কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধ শুরুর ডাক দিয়েছেন মুকুল রায়। তিনি বলেন, পাণ্ডবরা কৌরবদের বিরুদ্ধে ধর্মযুদ্ধে সামিল হয়েছিল। তাঁকেও এবার ধর্মযুদ্ধে নামতে হবে। সেই লক্ষ্যেই আগামী ১০ নভেম্বর তিনি রাজনৈতিকভাবে মুখ খুলবেন। নিজের হাতের ফাইল দেখিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুকুল রায়। তাঁর স্পষ্টই নিশানা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে।

সোমবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে বসিয়ে মুকুল রায় বলেন, 'আমার অনেক কথা বলার আছে। কিন্তু আজ কোনও রাজনৈতিক বক্তব্য রাখব না। কোনও রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর দেব না। সব কথাই তোলা রয়েছে আগামী ১০ নভেম্বরের জন্য। ওইদিন ধর্মতলার শহিদ মিনারের সভায় সব কথা বলব আমি।'
এই বলেই তিনি হাতের ফাইল দেখান। ইঙ্গিত করেন, এই ফাইলের ভিতরে সমস্ত নথিপত্র রয়েছে। ১০ নভেম্বরই তিনি সমস্ত ফাঁস করে দেবেন। এখন এই ফাইল নিয়েই তৈরি হয়েছে গুঞ্জন। কী রয়েছে ফাইলে? কী বলতে চাইছেন মুকুল রায়? সত্যিই কি এবার হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেবেন তিনি। মুকুলের এই ইঙ্গিতবাহী কথার পর শঙ্কিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস।
যদিও তৃণমূল নেতাদের মনোভাবে, মুকুলের ঝুলি থেকে কিছুই বেরোবে না। কারণ, আদতে কিছুই নেই ওই ফাইলে। কিছু থাকার কথাও নয়। এই বলেই তৃণমূল বিশেষ পাত্তা দিচ্ছে না বিষয়টিতে। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের মতে ওই ফাইলে এমন কিছু রয়েছে, ১০ নভেম্বর ধামাকা হতে পারে। এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
মুকুল রায় এদিন জানিয়েছেন, তিনি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে লড়াই করবেন। দিলীপ ঘোষকে ক্যাপ্টেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, এই ধর্মযুদ্ধে তিনি লড়বেন দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলায় পরিবর্তন আসবে। কেননা যে পরিবর্তন আমরা চেয়েছিলাম, সেই পরিবর্তন আসেনি বাংলায়। তাই ফের পরিবর্তন দরকার। আর রাজ্যে বিকল্প সরকার দিতে পারে একমাত্র বিজেপিই।












Click it and Unblock the Notifications