মমতার গড়ে থাবা বসাল বিজেপি! ফের গুঞ্জন মুকুলকে নিয়ে
কৌশলী মুকুল তৃণমূলে আঘাত পেয়ে কি তবে পাল্টা আঘাত হানার রাস্তা নিলেন? যা-ই করুন তিনি, ধীরে চলো নীতি নিয়েই এগোচ্ছেন।
তৃণমূলের ভাঙনে ফের জল্পনা মুকুল রায়কে ঘিরে। মুকুলের অঙ্গুলিহেলনেই নাকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে ভাঙন ধরছে দলে! মুকুল ঘনিষ্ঠ নেতারা তৃণমূল ছেড়ে ঘাঁটি গেড়েছে বিজেপিতে। তৃণমূলের অন্দরেই ক্ষোভ বাড়ছে। ভবানীপুরে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দল ছাড়ার পিছনে মুকুলেরই হাত রয়েছে বলে গুঞ্জন রাজনৈতিক মহলে।

রবিবার মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন শ্রমিক ও সংখ্যালঘু নেতা-কর্মী ও সমর্থক। এঁদের মধ্যে অনেকেই মুকুল ঘনিষ্ঠ ছোটোখাটো নেতা রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাতেই জল্পনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, মুকুল রায় তাঁর লবির নেতাদের বিজেপিতে পাঠিয়ে শেষে নিজে যোগ দেবেন!
কৌশলী মুকুল তৃণমূলে আঘাত পেয়ে কি তবে পাল্টা আঘাত হানার রাস্তা নিলেন? যা-ই করুন তিনি, ধীরে চলো নীতি নিয়েই এগোচ্ছেন। সম্প্রতি জল্পনা শুরু হয়েছিল- নয়া দল গড়তে চলেছেন মুকুল। আবার গুঞ্জন শুরু হয়, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল ছেড়ে। এরপর কিছুদিন মুখ বন্ধ করেছিলেন মুকুল রায়। তাতে জল্পনা আরও বাড়ছিল। এখন অবশ্য প্রকাশ্যে বিবৃতি দিচ্ছেন। খোলাখুলিই জানাচ্ছেন, তিনি তৃণমূলে ছিলেন, আছেনও।

কিন্তু উদ্ভুত পরিস্থিতি মাঝে মধ্যেই নানা জল্পনার জন্ম দিয়ে যাচ্ছে। বিজেপিও এই বিষয়টি নিয়ে রাজনীতিতে নেমে পড়ছেন। দিলীপ ঘোষ বা অন্যান্যরা মুকুলকে নিয়ে নানা মন্তব্য করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। তৃণমূলে একাংশ মনে করছেন, দলের কিছু ভুল চালে বিজেপি মাইলেজ পেয়ে যাচ্ছে। মুকুল রায়কে নিয়ে দল এমনই একটা অবহ তৈরি করেছে যে, বিজেপি সেটাকে নিয়ে রাজনীতি করছে।
শনিবার হাজরা মোড়ে বিক্ষোভ সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি তৃণমূলে ভাঙনের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তারপর এক দিন কাটতে না কাটতে খোদ মুখ্যমন্ত্রীর গড়ে হানা দিল বিজেপি। তৃণমূলের নিচুতলার কিছু শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও সংখালঘু নেতারা পদ্মশিবিরে যোগ দিলেন। তাঁরা অনেকেই মুকুল ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। এই দলবদলে ফের একবার মুকুল রায়কে নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে।
বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে গেরুয়া ঝাণ্ডা তুলে নেন তৃণমূল শ্রমিক নেতা বাবান ঘোষ, তফশিলি জাতি-উপজাতি সংগঠনের নেতা রাহুল সাউ, বন্দর কর্মচারী সংগঠনের নেতা দেবজিৎ কর, সংখ্যালঘু সেলের নেতা সাদ্দাম আনসারি। তাঁরা অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন।












Click it and Unblock the Notifications