• search

কলকাতায় ৩ বছরের শিশুকে গৃহশিক্ষিকার নৃশংস মারধর, সিসিটিভি ফুটেজে উত্তাল গোটা দেশ

  • By Shreshtha Chanda
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    <center><iframe width="100%" height="390" src="//www.youtube.com/embed/5iV9QPnv0vw" frameborder="0" allowfullscreen></iframe></center>

    কলকাতা, ২৩ জুলাই : সাড়ে ৩ বছরের ছেলেকে শিক্ষিকার নৃশংস মারধরের সিসিটিভি ফুটেজে উত্তাল হল গোটা দেশ। আর এই ঘটনা ঘটল কলকাতারই বুকে, লেকটাউনে। সাড়ে ৩ বছরের শিশুটি পড়াশোনা করতে না চাওয়ায় তাঁকে পৈশাচিকভাবে মারধর করলেন ওই গৃহশিক্ষিকা। শিশুটির পরিবার পুলিশে অভিযোগ করতেই গা ঢাকা দিলেন অভিযুক্ত শিক্ষিকা।

    লেকটাউন থানার অফিসার ইন চার্জ অশোক সেন জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি, ওই মহিলাকে খুঁজতে তল্লাশিও শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। ওই পীড়িত শিশুর পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে কিছুদিন আগেই, ওই গৃহশিক্ষিকাকে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

    ওই শিশুটির মা জানিয়েছেন, এর আগেও তাঁর ছেলে শিক্ষিকাকে দেখলে না পড়ার গো ধরত। কিন্তু তাতে গুরুত্ব দেননি তাঁরা। এদিন দরজা বন্ধ করে তাঁর ছেলেকে পড়াতে শুরু করেন শিক্ষিকা। কিন্তু মাঝে মধ্যে ছেলের প্রচণ্ড কান্নার আওয়াজ পেয়ে শিক্ষিকাকে কিছু না জানিয়েই সিসিটিভির ফুটেজটি দেখতে শুরু করলে তিনি জানতে পারেন যে কী নৃশংসভাবে তাঁর ছেলেকে মারধর করছে ওই শিক্ষিকা। তারই জেরে কাঁদছিল ওই শিশুটি।

    ছাত্রের বাড়িতে তাঁর আসল রূপটা বেরিয়ে আসতেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন ওই শিক্ষিকা। অনুরোধ করেছিলেন তাঁরা যেন পুলিশে খবর না দেন। পরে ওই শিক্ষিকার স্বামী এসে শিশুটির পরিবারকে হুমকি দিয়ে যান যে, পুলিশে খবর দিলে ফল ভাল হবে না।

    পরিবারসূত্রের খবর, ১৫ জুলাই নিয়োগ করা হয় ওই শিক্ষিকাকে। তারপর থেকে প্রত্যেকদিনই শিশুটিকে মারধর করতেন ওই শিক্ষিকা। যদিও তা আগে জানতেন না পরিবার সদস্যরা। পরে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে বিষয়টি পরিস্কার হয়।

    English summary
    Three-year-old kid brutally beaten by home tutor

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more