রাজ্যপাল সকাশে মমতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ জারি শুভেন্দুর, প্রথম সাক্ষাতেই বেঁধে দিলেন সুর
বাংলার রাজ্যপাল হয়ে সিভি আনন্দ বোস আসার পর থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়। তারপর প্রথ সাক্ষাতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নানিশ জানান।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধজারি রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি্ স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সংঘাত জারি থাকবে। তিনি সাফ জানালেন, পার্সোনাল চেম্বারে মুখ্যমন্ত্রী মিটিং ডাকলে যাবো না।
বাংলার রাজ্যপাল হয়ে সিভি আনন্দ বোস আসার পর থেকেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে সংঘাতের আবহ তৈরি হয়। যদিও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রাজভভনে এসে রা্জ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। সেইমতো এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী দলনেতা।

এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁরা সংসদীয় ব্যবস্থায় আছে তাঁদের সঙ্গে রাজ্যপাল কথা বলতেই পারেন। উনি ডেকেছিলেন, তাই এসেছি। যে প্রসঙ্গে কথা বলেছি, তা সব বলতে পারব না। রা্জ্যপালের সঙ্গে অনেক বিষয়েই কথা হয়েছে।
শুভেন্দু বলেন, রাজ্যপালকে জানিয়েছি তথ্য কমিশনার হিসেবে যাঁর নাম পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার, তাঁকে অনুমোদন দেবেন না। কেন অনুমোদন দেবেন না, তার যুক্তিও দিয়েছি। শুভেন্দু বলেন, সঠিক নিয়ম মেনে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি। প্রথম কথা একজন প্রাক্তনকে তথ্য কমিশনার নিয়োগ করা হয়েছে। তারপর কোনও একাধিক নামও আসেনি।
এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ন্যাশনাল কোনও সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয়। তা না করে রাজ্য সরকার তথ্য কমিশনার নিয়োগ করতে রাজ্যের কতকগুলি লিফলেটের মতো সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়েই দায় সেরেছে। ওইসব সংবাদমাধ্যমগুলি রাজ্য সরকারের কথায় চলে। রাজ্য সরকারের লিফলেটের কাজ করে।
তিনি বলেন, তথ্য কমিশনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য বৈঠক কেন ডাকা হবে মুখ্যমন্ত্রীর পার্সোনাল চেম্বারে। তা কোনও সরকারি ক্ষেত্রে ডাকতে হবে। নিয়ম মেনে বিজ্ঞপ্তি হলে নিরপেক্ষ ক্ষেত্রে বৈঠক হলে যাবো, নচেৎ মুখ্যমন্ত্রীরর চেম্বারে বৈঠকে যাবো না।
শুভেন্দু এদিন বলেন, লোকায়ুক্তের সময়সীমা বাড়াতে চাইছে রাজ্য। এটা করা যায় না। গত ৪ বছর লোকায়ুক্তের কোনও রিপোর্ট বিধানসভায় দেয়নি। দুর্নীতি লুকোতে সংশোধনী এনেছে। এতেও রাজ্যপালকে স্বাক্ষর করতে নিষেধ করেছি। ওনাকে ওনার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি ভুল বোঝাচ্ছিলেন। তিনি আমাকে বলেন, তিনি ভারত মাতার জয় বলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি জয় বাংলা লিখে দিয়েছেন। তাই উনি রাজভবন ঘাড় ধাক্কা খেয়েছেন, এটা ভালো। ওনার সচিবালয় ওনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এটাই হওয়া উচিত।
-
'৪মের পরে তৃণমূলের সব পাপের হিসাব হবে', কোচবিহারের জনসভা থেকে অলআউট আক্রমণে প্রধানমন্ত্রী মোদী -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায় -
পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ! পানিহাটির সেক্টর অফিসার অতনু চক্রবর্তীকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন -
উত্তরের কোচবিহার দিয়ে নতুন করে বাংলায় ভোটপ্রচার শুরু প্রধানমন্ত্রী মোদীর -
চিপকে হার চেন্নাই সুপার কিংসের, সহজেই জিতল শ্রেয়স আইয়ারের পাঞ্জাব কিংস -
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের









Click it and Unblock the Notifications