শূন্য পেয়েও দিনের পর দিন স্কুলে চাকরি! ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করল স্কুল সার্ভিস কমিশন
নিয়োগে দুর্নীতি কার্যত চরম সীমায় বলে বারবার অভিযোগ সামনে এসেছে। এমনকি স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকাও বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
ইতিমধ্যে গ্রুপ ডি-তে একাধিক চাকরি বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। বাতিল হয়েছে অবৈধ ভাবে নিয়োগ হওয়া শিক্ষকদের চাকরিও। নিয়োগে দুর্নীতি কার্যত চরম সীমায় বলে বারবার অভিযোগ সামনে এসেছে। এমনকি স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকাও বারবার প্রশ্নের মুখে পড়েছে। এই অবস্থায় বড় পদক্ষেপ কমিশনের।

নবম-দশমে নিয়োগ হওয়া ৬১৮ জনের সুপারিশপত্র বাতিল করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। অবৈধ ভাবে নিয়োগের অভিযোগ সামনে এসেছিল এদের বিরুদ্ধে। মোট ৯৫২ জনের ওএমআর শিটের কারচুপি সামনে এসেছিল। যার মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন ৮০৩ জনকে নিয়োগ দিয়েছিল ইতিমধ্যে মেনে নিয়েছে কমিশন।
এবার তাঁদের মধ্যে থেকে বিশেষ করে প্রথম পর্যায়ে যারা শূন্য থেকে ৫৩ পেয়েছে তাদের মধ্যে ৬১৮ জনের সুপারিশ বাতিল করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কার্যত সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে মান্যতা দিয়েই স্কুল সার্ভিস কমিশনের এহেন পদক্ষেপ বলে জানা যাচ্ছে।
বলে রাখা প্রয়োজন, নবম-দশমে নিয়োগ হওয়া শিক্ষকদের সার্ভার ও ওএমআর শিটের নম্বরে বিস্তর ফারাক রয়েছে। ১ নম্বর থেকে কারও কারও ৫৩ নম্বর পর্যন্ত বেড়েছে। ২০১৬ সালে নবম-দশমে নিয়োগের যে পরীক্ষা হয়েছিল সেখানেই এই গরমিল করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।
এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার আগেই জানিয়েছিলেন, এইসব শিক্ষক শিক্ষিকাদের নিয়োগ স্ক্যানারে রয়েছে। এসএসসি হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে জানায় ৮০৫ জনের ক্ষেত্রে গরমিল পাওয়া গিয়েছে।
হাইকোর্টের নজরদারিতে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে ইডি-সিবিআই। ইডি প্রথমে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা হয়েছে বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও। বিশেষ করে তাঁর একাধিক ফ্ল্যাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পরেই গ্রেফতার করা হয়।
পরবর্তী সময়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী থাকার সময় এসএসসির চেয়ারম্যান থেকে সুবীরেশ ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করা হয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি কল্যাণময় গাঙ্গুলি এবং প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকেও। আর এরপরও একের পর এক কেলেঙ্কারি সামনে আসছে।












Click it and Unblock the Notifications