• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

গড়িয়াহাটের বহুতলে বিধ্বংসী আগুন! ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা বাসিন্দাদের

রাত ১২.৪৫-এ যখন আগুন লাগে, তখন বেশিরভাগ বাসিন্দাই ছিলেন ঘুমিয়ে। আগুন আগুন চিৎকারে ঘুম ভাঙে। যে যাঁর মতো পেরেছেন বেরিয়ে এসেছেন, হাতের কাছে যা পেয়েছেন তা নিয়ে। বেশিরভাগ বাসিন্দাই তাদের কোনও জিনিসপত্র বের করতে পারেননি।

আগুন-আগুন বলে চিৎকার

এক মহিলা সেই রাতে কলকাতার বাইরে থাকা নিজের স্বামীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। আগুনের চিৎকার শুনেই নিচে নেমে আসেন তিনি। কেউ বলছেন, বাড়ির ৫ তলায় বয়স্করা রয়েছেন। নামতে পারা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয় বাসিন্দাদের মধ্যে। এক মহিলা তাঁর শিশু সন্তানকে নিয়ে কোনও রকমে নিচে নেমে আসতে সক্ষম হন।

পোড়া গন্ধের সঙ্গে তাপ

প্রথমে পোড়া গন্ধ, তারপর বারান্দায় গিয়ে কেউ কেউ দেখেন আগুন। তার তাপও তারা পেয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে নিচে নামার চেষ্টা। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শাড়ির দোকান রয়েছে, খাবারের দোকান রয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ছাড়াও, গ্যাস সিলিন্ডারও মজুত রাখায় দোকানে। সেগুলি বিস্ফোরণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

পুড়ে গিয়েছে সবকিছু, এমন কী পোষ্যও

এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দু-একটা জামা-কাপড় বাদ দিয়ে ঘরের আসবাবপত্র থেকে বাকি সব কিছু পুড়ে গিয়েছে। এমন কী বারান্দায় থাকা খাঁচাবন্দি পাখির মৃত্যু হয়েছে আগুনের লেলিহান শিখায়।

বাসিন্দাদের অভিযোগ

বাসিন্দাদের অভিযোগ

দীর্ঘদিন ওই বহুতলে অয়্যারিং হয় না কিংবা তার কোনও রকমের পরিচর্যা হয় না। অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।

পরিজনদের ফোনের আর্ত কলে সেই রাতেই কলকাতার অন্য অংশ থেকে ছুটে এসেছেন আত্মীয়রা। ঘরে যাঁরা ছিলেন কোনও রকমে বাইরে বেরিয়ে আতঙ্কে এদিক-ওদিক ছড়িয়ে পড়েন। কোনও পরিবারের কোনও একজনকে না পাওয়ায় সেই সময়ের জন্য আতঙ্ক তৈরি হয়।

(ছবি সৌজন্য: ফেসবুক)

English summary
Reaction of the resident of the multi storied building which caught fire at Gariahat
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more