আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন আন্দোলনরত জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকরা?
আরও কড়া আন্দোলনের পথে হাঁটছেন জুনিয়র ও চিকিৎসকরা? ১০০ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে আমরণ অনশন। সিনিয়র চিকিৎসকরাও রিলে অনশন শুরু করেছেন। স্বাস্থ্যভবনের বৈঠক আরও একবার ব্যর্থ হয়েছে। আর সেখান থেকে রাজ্য সরকারের দিকে প্রশ্ন তুলছেন আন্দোলনকারীরা৷
সরকারের কোনও সদিচ্ছা নেই। সরকার মুখে অনেক কিছুই বলছে। কিন্তু কাজে সেই সব দেখা যাচ্ছে না। অনশন প্রত্যাহার করার বার্তা সরকারের থেকে কেবল দেওয়া হচ্ছে৷ এই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের থেকে উঠছে।

কী করে আন্দোলন তোলা হবে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। সরকারের থেকে আন্দোলন, অনশন থেকে সরে আসার কথা বার বার বলা হচ্ছে। কিন্তু সরকার প্রতিশ্রুতি মতো তাদের কাজ করছে না৷ সেই কথা আবারও অভিযোগ করেছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। গতকাল গভীর রাত পর্যন্ত স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক হয়েছে।
রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ সহ অন্যান্য আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান হবে। এই কথা বলছে সরকার। কিন্তু আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা কাজে প্রতিফলন দেখতে চাইছেন। স্বাস্থ্যসচিবকে সরানোর দাবি ফের তোলা হয় ওই বৈঠকে। কিন্তু সেই নিয়ে সরকার কোনও বার্তাই দেয়নি।
আন্দোলনকারীরা পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তীব্র অসন্তোষ জানাচ্ছেন। পুলিশ বার বার তাদের আন্দোলনে ব্যাগড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। গতকাল মণ্ডপ থেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের তুলে নিয়ে গেল পুলিশ। লালবাজারে তাদের আটক করে রাখা হল৷ মিছিল থেকে অনশন মঞ্চ, সব জায়গাতেই পুলিশ নজরদারি চালাচ্ছে। এই মারাত্মক অভিযোগও তোলা হচ্ছে। পুলিশ কি এভাবে পুজো মণ্ডপ থেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের তুলে নিয়ে যেতে পারে? সেই প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীরা।
রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস গতকাল মহাষষ্ঠীর রাতে গিয়েছিলেন অনশন মঞ্চে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন। পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। এই অবস্থায় পুজোর শুরুর দিনেই ঘনীভূত হচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলন।
তাঁরা কি আরও বড় আন্দোলনের পথে হাঁটবেন? আন্দোলনকে আরও বড় করার পদক্ষেপ করবেন? সেই বিষয় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সিনিয়র চিকিৎসকরাও রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে গণইস্তফা দিচ্ছেন। রিলে অনশনে যোগ দিয়েছেন। ফলে কোন দিকে যাচ্ছে তাদের আন্দোলন? সেই প্রশ্ন সপ্তমীর সকালে আরও জোরালো হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications