• search

বিনা চিকিৎসায় চারদিন! হাত কেটে বাদ দিতে হবে শুনেই বিক্ষোভ এসএসকেএমে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ প্রায়ই ওঠে। এবার সরকারি হাসপাতালেও সেই 'রোগ' ঢুকে পড়ল। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে এবার রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল এসএসকেএম। এসএসকেএমে ভর্তি রোগীর হাত কেটে বাদ দেওয়ার কথা জানাতেই বিক্ষোভ শুরু হয়। অভিযোগ, চারদিন বিনা চিকিৎসায় ফেলে রাখা হয় রোগীকে।

    হাওড়ার বাগনানের বাসিন্দা অসিত তাঁতি। একটি কারখানায় কাজ করতেন। গত বৃহস্পতিবার সেই কারখানাতেই ঘটে বিপত্তি। কাজ করার সময় মুহূর্তের অসতর্কতায় মেশিনের ভিতরে ঢুকে যায় তাঁর হাত। ক্ষতবিক্ষত হাত নিয়ে প্রথেম এনআরএসে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। এনআরএস ফেরত অসিত তাঁতিকে এরপর ভর্তি করা হয় এসএসকেএম হাসপাতালে।

    বাদ দিতে হবে হাত, শুনেই বিক্ষোভ এসএসকেএমে

    রাজ্যের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করার পর আশ্বস্ত হয়েছিল রোগীর পরিবার-পরিজন। কিন্তু মঙ্গলবার এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই হাতে পচন ধরে গিয়েছে। ফলে আর কিছুই করা যাবে না। কেটে বাদ দিতে হবে মেশিনে ঢুকে ক্ষতবিক্ষত হয়ে যাওয়া হাত। আর এসএকেএমের চিকিৎসকরা তা জানানোর পরই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এসএসকেএম চত্বরে।

    তাঁদের অভিযোগ, হাসপাতালের চিকিৎসা গাফিলতিতেই হাত হারাতে হচ্ছে রোগীকে। ভর্তি নেওয়া হলেও এতদিন প্রায় চিকিৎহীন অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। কোন চিকিৎসা করা হয়নি কাটা হাতের। এখন বেগতিক বুঝেই হাত কেটে বাদ দেওয়ার কথা জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    English summary
    Patient's family protest against SSKM for negligence in treatment.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more