১৪ দিনের জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা! বোমা ফাটালেন কুণাল
১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বান্ধবী অর্পিতাকেও। আগামী ১৮ তারিখ ফের তাঁদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন কর
১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বান্ধবী অর্পিতাকেও। আগামী ১৮ তারিখ ফের তাঁদের আদালতে তোলা হবে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আবেদন করা হলেও তা খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

জানা যাচ্ছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে প্রেসিডেন্সি জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি অর্পিতাকে আলিপুর জেলে নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে জেলে গিয়ে ইডি পার্থ এবং অর্পিতাকে জেরা করতে পারবে বলেও এদিন নির্দেশে জানিয়েছে আদালত। এজন্যে জেল কতৃপক্ষকে সম্পূর্ণ সাহায্য করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অর্পিতার নিরাপত্তা'র বিষয়টিও জেল কতৃপক্ষকে খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইস্যুতে বোমা ফাটালেন কুণাল ঘোষ।
দু'দিনের ইডির হেফাজত শেষে আজ শুক্রবার ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতাকে আদালতে তোলা হয়। সেখানে পার্থের তরফে জামিনের আবেদন করা হয়। আর সেজন্যে প্রভাবশালী তকমা ছাড়তেও কার্যত রাজি ছিলেন তৃণমূল নেতা। আর সেজন্যে আদালতের কাছে বিধায়কের পদ ছাড়তেও পার্থ চট্টোপাধ্যায় রাজি বলে আইনজীবী এদিন আদালতকে জানান।
শুধু তাই নয়, সওয়ালে আইনজীবী এদিন দাবি করে বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। একটা চিরকুঠো পাওয়া যায়নি। এমনকি এখন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সাধারণ মানুষ। এমনকি এখন আর মন্ত্রী নন উনি। এমনকি দলের পদেও নেই। পাশাপাশি শারীরিক অবস্থার কথাও এদিন আদালতের কাছে তুলে ধরেন আইনজীবীরা। আর তা তুলে ধরেই মূলত এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী জামিনের আবেদন জানান।
তবে এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁর আইনজীবী। এমনকি যে ডিড পাওয়া যাচ্ছে তা ভুয়ো বলেও দাবি করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাণনাশের আশঙ্কা করেন বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের আইনজীবী। শুধু তাই নয়, পরিস্থিতি বুঝে প্রথম শ্রেনির বন্দির মর্যাদা অর্পিতাকে দেওয়ার দাবিও এদিন আইনজীবী জানান। কেন এমন আশঙ্কা তা অবশ্য স্পষ্ট ভাবে কিছু বলেলনি আইনজীবী। তবে এদিন ইডির তরফে নতুন করে বেশ কয়েকটি আরও সংস্থার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে জানান।
এছাড়াও আরও বেশ কিছু তথ্যের কোথাও তুলে ধরা হয়। দীর্ঘ সওয়াল জবাব শেষে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে কুণাল বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সাধারণ সেলে রাখতে হবে। যেমন আমাকে রাখা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে কারা কতৃপক্ষের তরফে যেন বিশেষ ব্যবস্থা না করা হয় সেই আবেদনও জানানো হয় বলে দাবি কুণালের। আমি সব জেনে যাব। আর তা জানলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেতার। তাঁর দাবি, আমার বিরুদ্ধে পার্থদা আরও অনেকে অনেক চক্রান্ত করেছে।'












Click it and Unblock the Notifications