Panchayat Election: জুলাইয়ের শুরুতেই পঞ্চায়েত ভোট! সরকারের সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক কমিশনের
প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পরেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) দামামা। বৃহস্পতিবার এব্যাপারে তারিখ ঘোষণা হতে পারে। বুধবারেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচনের এব্যাপারে ম্যারাথন বৈঠক হয়েছে।
রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) সূত্রে খবর, জুলাইয়ের শুরুতেই পঞ্চায়েত ভোট করাতে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ৮ জুলাই শনিবার এই নির্বাচন হতে পারে। এবার এক দফায় পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

এদিন বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে রাজ্য নির্বাচন কমিশন পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) তারিখ ঘোষণা করবে। সেক্ষেত্রে ৮ জুলাই তারিখটিই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা। এদিন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এব্যাপারে যা বলার রাজ্য নির্বাচন কমিশনই বলবে।
প্রায় সব বিরোধী দল পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে করানোর দাবি করেছিল। তবে এব্যাপারে বুধবার এবং বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে সেব্যাপারে কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে রাজ্য বিজেপির সভাপতি এদিনও কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবি করেছেন।
এদিন বিকেলে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের দিন ঘোষণা করতে পারে, এই ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে আইনজীবী তথা রাজ্যসভায় সিপিআইএম সাংসদ বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, নির্বাচন কমিশনের কাজ শুধুমাত্র নোটিফিকেশন করে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করা নয়, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু হয় তারও ব্যবস্থা করা। এই কমিশনার সেই ব্যবস্থা করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

রাজীব সিনহাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করতে অনুমতি দিয়ে রাজ্যপালের ফাইল বুধবার নবান্নে যায়। সেদিনই রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করার হয় প্রাক্তন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহাকে। তিনি বুধবারই রাজ্যের আধিকারিকদের সঙ্গে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) নিয়ে একাধিক বৈঠক করেন। সেই বৈঠক হয় বৃহস্পতিবারেও।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সৌরভ দাসের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর পরবর্তী রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের নাম ঠিক করতে রাজ্যপাল কিছুটা সময় নেন। প্রথম ও দ্বিতীয় নাম পাঠানোর পরে তৃতীয় নামও পাঠায় রাজ্য সরকার। কিন্তু রাজ্যপাল শেষ পর্যন্ত প্রথমে পাঠানো নামেই সিলমোহর দেন।
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছতে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হল শান্তিপূর্ণভাবে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) করানো। ২০১৮-তে ১৪ মে এক দিনে সারা রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে। ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আগেই জিতে যায় তৃণমূল কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications