• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

সন্তানহারা মায়ের আকুতি- প্রতিকার চাই, আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি আমরিকে

'নির্মম' হাসপাতাল কেড়ে নিয়েছে তাঁর একমাত্র মেয়েকে। আড়াই বছরের ফুটফুটে মেয়েটা এক ইঞ্জেকশনেই শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপরও হাসপাতাল এতটুকু সংবদেনশীল ব্যবহার করেনি। তাই এর শেষ দেখতে চান অসহায় মা। তিনি এবার আমরণ অনশনে বসবেন বলে হুঁশিয়ারি দিলেন। সেই অনশন কর্মসূচিতে সমস্ত মাকে শামিল হওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

সন্তানহারা মায়ের আকুতি- প্রতিকার চাই, আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি আমরিকে

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন ঐত্রীর মা ও বাবা। এদিন মেয়ে হারানো দম্পতি সুবিচারের আশায় ছুটে যান কলকাতা মেডিকেল কাউন্সিলে, যান পশ্চিমবঙ্গ শিশু সুরক্ষা কমিশনেও। সেখানে গিয়েও অবিলম্বে অভিযুক্ত চিকিৎসক ও হাসপাতালের ইউনিট হেডকে সরানোর দাবি জানান। আর এজন্য দুদিন সময় দেন ঐত্রীর মা শম্পা দে। তিনি বলেন, 'দুদিনের মধ্যে ডাক্তার ও ইউনিট হেডকে না সরালে আমরণ অনশনে বসবেন তিনি।'

এদিন তিনি বলেন, 'যাঁরা ঐত্রীর পাশে থাকতে চাও, তাঁরাও আমার সঙ্গে এসো। কেউ না এলেও ঐত্রীর মা ও বাবা আমরণ অনশনে বসবে। তিনি বলেন, 'আমার তো সব গিয়েছে, আমি ওই হাসপাতাল বন্ধ করেই ছাড়ব। যে হাসপাতাল মায়ের বুক থেকে মেয়েকে কেড়ে নেয়, সেই হাসপাতাল থাকার কোনও অর্থ নেই।'

এদিন শিশু সুরক্ষা কমিশনার অনন্যা চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করেন ঐত্রীর মা ও বাবা। তাঁরা দাবি জানান, 'এভাবে যেন আর কোনও মা-বাবার বুক থেকে সন্তান কেড়ে নেওয়া না হয়।' হাসপাতালের সুরক্ষার দাবিতে সরব হন ঐত্রীর মা শম্পা দে। সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, 'দু'দিনের মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যদি চিকিৎসক ও ইউনিট হেড জয়ন্তী চট্টোপাধ্যায়কে না সরায়, তিনি মুকুন্দপুর হাসপাতালের সামনে আমরণ অনশনে বসবেন।'

English summary
Mother of Oitri warns that she will sit on hunger strike at AMRI Hospital for justice,
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more