যুবভারতীতে খেলা শুরু আগে উচ্ছেদ বিরোধী বিক্ষোভ-মিছিল শিয়ালদায়
যুব বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে সৌন্দর্যায়নের অজুহাতে নির্বিচারে হকার ও বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগে রবিবার শিয়ালদহে মিছিল করবে ও বিক্ষোভ দেখাবে হকার সংগ্রাম কমিটি, এপিডিআরসহ ৫০ টি গণ সংগঠন।
যুব বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে সৌন্দর্যায়নের অজুহাতে নির্বিচারে হকার ও বস্তি উচ্ছেদের অভিযোগে রবিবার শিয়ালদহে মিছিল করবে ও বিক্ষোভ দেখাবে হকার সংগ্রাম কমিটি, এপিডিআরসহ ৫০ টি গণ সংগঠন। রবিবার বিকেলে যুব বিশ্বকাপের খেলা শুরু হচ্ছে বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামে।

যুব বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে সৌন্দর্যায়নের অজুহাতে বিবেকানন্দ যুবভারতী স্টেডিয়ামের আশপাশ থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে বেশ কয়েক হাজার মানুষকে। উচ্ছেদ হওয়া মানুষরা ইতিমধ্যেই রুটি-রুজি হারিয়েছেন। মাথার ওপর থেকে ছাদ হারিয়েছেন অনেকে। ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে।

হকার ও বস্তি উচ্ছেদ নিয়ে তৃণমূল সরকারের কটাক্ষও করেছে গণ সংগঠনগুলি। পুনর্বাসন ছাড়া জীবন-জীবিকা থেকে উচ্ছেদ করা হবে না, এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যারা সরকারে এসেছিল, তাদের এই কাজ অত্যন্ত বিপজ্জনক ও নিন্দাজনক বলে মন্তব্য করেছে সংগঠনগুলি।
হকার সংগ্রাম কমিটি, এপিডিআরসহ বিভিন্ন সংগঠনগুলির দাবি, অবিলম্বে এই উচ্ছেদ বন্ধ করতে হবে। উচ্ছেদ হওয়া মানুষগুলির পুনর্বাসনেরও দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় হকার আইন অনুযায়ী নিয়মাবলী বানিয়ে হকারদের অধিকার সুনিশ্চিত করার দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে উচ্ছেদ হওয়া বস্তিবাসীদের জন্যও যথাযথ আবাসের বন্দোবস্ত করার দাবি করা হয়েছে।

উচ্ছেদ করা হয়েছে ১২ নম্বর ট্যাঙ্ক এলাকার বস্তি। অনূর্ধ্ব বিশ্বকাপ শুরু আগেই তার প্রভাব পড়েছে ১০, ১২, ১৪, ১৬ নম্বর ট্যাঙ্ক এবং সিটি সেন্টার সংলগ্ন এলাকার হকারদের ওপর। কেবি-কেসি ব্লক সংলগ্ন এলাকার বস্তিও উচ্ছের করা হয়েছে বুলডোজার দিয়ে। বিধাননগরের মেয়র কিংবা সরকারি আধিকারিক সবাই জানাচ্ছেন, যাঁদের উচ্ছেদ করা হয়েছে তাঁদের কাছে বৈধ কাগজপত্র ছিল না। প্রশ্ন উঠছে যদি বৈধ কাজগপত্র না থাকবে, তাহলে তাদের এতদিন ধরে সেখানে থাকতে কিংবা ব্যবসা করার সুযোগ দেওয়া হল কেন? কিংবা কার স্বার্থে এতদিন সেই সুযোগ দেওয়া হল।
যেসব বস্তি উচ্ছেদ করা হয়েছে, সেখানকার মানুষদের বক্তব্য, তাঁদের কাছে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড রয়েছে। পুনর্বাসন চেয়ে পুরসভার কাছে আবেদন করা হলেও, কোনও উত্তর মেলেনি বলে জানিয়েছেন উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দারা। অথচ এই মানুষগুলোকেই ভোটের সময় কাজে লাগায় শাসক দল। ভোটের সময় নেতাদের প্রয়োজন মতো কাজও করিয়ে নেওয়া হয় বলেও জানিয়েছেন তারা।












Click it and Unblock the Notifications