হিন্দু ধর্মকে বিশ্বজনীন আখ্যা দিয়ে মমতা বললেন- ‘আমি মানবিকতা ধর্মের সমর্থক’
স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতার ১২তম বর্ষপূর্তিতে দরাজ কণ্ঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, হিন্দু ধর্ম সর্বজনীন। বাংলার মাটিতে সেই হিন্দু ধর্মই চলবে, যে হিন্দু ধর্ম বিবেকানন্দের।
স্বামী বিবেকানন্দের শিকাগো বক্তৃতার ১২তম বর্ষপূর্তিতে দরাজ কণ্ঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করলেন, হিন্দু ধর্ম সর্বজনীন। বাংলার মাটিতে সেই হিন্দু ধর্মই চলবে, যে হিন্দু ধর্ম বিবেকানন্দের। যে হিন্দু ধর্মকে তিনি বিশ্বের দরবারে সেরার আসনে বসিয়েছিলেন। যে হিন্দু ঘর্ম সবাইকে ভালোবাসে, কোনও ভেদাভেদ করে না।

বেলুড় মঠে এক অনুষ্ঠানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার বলেন, স্বামীজি যে হিন্দু ধর্মের শিক্ষা দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই হিন্দু ধর্ম মেনে সবাইকে নিয়ে চলতে হবে। সবাইকে ভালোবাসতে হবে। ভালোবাসাই সবার উপরে স্থান দিতে পারে, তা দেখিয়েছিলেন বিবেকানন্দ। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাংলার মাটি আজ সহনশীলতার মাটিতে পরিণত হয়েছে।
মমতা বলেন, বাংলার মাটি সব ধর্মের। বাংলাই দেশকে পথ দেখিয়েছে। আজও দেখাবে। বাংলার মাটিতে ধর্ম নিয়ে হানাহানি, অস্থিরতা মানব না। কিছু মানুষের চক্রান্তের জন্য বাংলার সংস্কৃতির পবিত্রতা বিনষ্ট হতে দেব না। শাসনের নামে মাথায় পা তোলা বরদাস্ত করব না। তিনি ঘুরিয়ে তোপ দাগেন বিজেপিকেই।

এদিনে বেলুড় মঠের অনুষ্ঠানে মমতা বলেন, বিশ্বের দরবারে দেশকে দাঁড় করিয়ে গিয়েছিলেন বিবেকানন্দ। কারণ তিনি ছিলেন আদর্শ নেতা। নেতা সবাই হতে পারে না। নেতা হওয়ার জন্য বিশেষ গুণ লাগে। ত্যাগ ছাড়া নেতা হওয়া যায় না। নেতা তিনি-ই, যিনি দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ। নিবেদিত প্রাণ ছিলেন বলেই বিশ্বের দরবারে ভারতকে শ্রেষ্ঠ আসনে এনেছিলেন বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ।

বিবেকানন্দকে স্মরণ করিয়ে তিনি বলেন, বাংলা কখনও কারও জ্ঞান শোনে না। এখন কেউ কেউ মানুষের উপর সবকিছু চাপিয়ে দিতে চাইছে। কিন্তু এ মাটি বাংলার মাটি। এ মাটি কাউকে ভয় করে না। মমতা অভয় দিয়ে বলেন, কাকে ভয়, কীসের ভয়। মনে রাখবেন ধর্ম নিজের, উৎসব সবার। আমি মানবিকতা ধর্মের সমর্থক।












Click it and Unblock the Notifications