বিশ্বসেরা ১৫০ টি মিষ্টিমুখের তালিকায় নাম রয়েছে কলকাতার এই মিষ্টির দোকানগুলির, খেয়েছেন কখনও?
খাওয়ার শেষ পাতে যদি মিষ্টি থাকে, তাহলে আর কোনও কথাই নেই। বাঙালিদের মতো মিষ্টি খেতে কেই বা বেশি ভালোবাসে বলুন! বিশ্বজুড়ে বাঙালির মিষ্টিবিলাসের নাম রয়েছে। বাংলার যে কোনও জায়গাতেই গেলে আপনাদের মিষ্টির দোকান কিন্তু চোখে পড়বেই। সেই সব সুস্বাদু মিষ্টির স্বাদ যে শুধু বাংলাতেই আটকে আছে তা কিন্তু একদম নয়, পাড়ি দিয়েছে বিদেশের মাটিতেও।
টেস্ট অ্যাটলাস নামে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বিশ্বজুড়ে মিষ্টির ওপরে একটি সমীক্ষা চালিয়েছিল। যেখানে ১৫০ টি সেরা স্বাদের মিষ্টির দোকানের খোঁজ দিয়েছে। তার মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে কলকাতার এই মিষ্টির দোকানগুলি। তালিকায় কোন কোন দোকান রয়েছে, দেখুন।

- কে সি দাস
১৯৬৬ সালে থেকে রমরমিয়ে মিষ্টির ব্যবসা করে আসছে কেসি দাস। আপনি কি জানেন টেস্ট অ্যাটলাসের ২৫ নম্বরের তালিকায় নিজের জায়গায় করে নিয়েছে কে সি দাস। রসগোল্লার জন্য এই মিষ্টির দোকানের নাম অনেক। নিশ্চয়ই আপনিও এই দোকানের মিষ্টি খেয়েছেন। নবীনচন্দ্র দাস এই শহরে রসগোল্লা বানিয়ে মিষ্টি প্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন।
- ফ্লুরিজ
ফ্লুরিজের নামের সঙ্গে সকলেরই পরিচয় রয়েছে। নানা ধরনের মিষ্টি, পেস্ট্রি, কেকের জন্য বিখ্যাত এই দোকান। টেস্ট অ্যাটলাসের ২৬ তম স্থান দখল করে নিয়েছে ফ্লুরিজ। রাম বলসের জন্য এই তালিকায় নাম করে নিয়েছে ফ্লুরিজ। তাছাড়া এখানে নামকরা খাবারের মধ্যে রয়েছে স্পঞ্জ কেক, কোকো, রাম বলস। যদি আপনি এখনও এই দোকানে না যান তাহলে একবার ঘুরে আসুন।
- বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিক
বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিকের নাম সকলেই শুনেছেন। খেয়েওছেন নিশ্চয়ই এখানকার মিষ্টি বা সন্দেশ। তবে জানেন টেস্ট অ্যাটলাসের ৩৭ তম স্থান দখল করে এই ঐতিহ্যশালী দোকানটি। এখানকার চমচম যেন মন ছুয়ে যায়। একবার খেলে বারবার যেতে ইচ্ছা করে। খেতে পারেন জলভরা সন্দেশও।
তবে এখানেই শেষ নয়, সুস্বাদু ও প্রসিদ্ধ মিষ্টির মধ্যে নাম রয়েছে পুণের কায়ানি বেকারির। টেস্ট অ্যাটলাসের ১৮ নম্বরে নাম রয়েছে এই মিষ্টির দোকানের। হায়দরাবাদের করাচি বেকারির তার জায়গা করে নিয়েছে ২৯ নম্বরে। মুম্বইয়ের কে রুস্তম অ্যান্ড কো নিজের জায়গা করে নিয়েছে ৪৯ নম্বরে। আপনি যদি এখনও এই মিষ্টির দোকানগুলির মিষ্টি না খেয়ে থাকেন, তাহলে আজই যান।












Click it and Unblock the Notifications