তৃণমূলের লোগো বাতিলের আবেদন করবেন! বেআইনি নিয়োগ মামলায় চরম হুঁশিয়ারি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

তৃণমূলের লোগো বাতিলের আবেদন করবেন! বেআইনি নিয়োগ মামলায় চরম হুঁশিয়ারি বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

শূন্যপদে অবৈধ নিয়োগ নিয়ে এবার সরাসরি শাসক দলকে সতর্ক করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন বেআইনি ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। ক্যাবিনেট বা মন্ত্রিসভা এই ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কমিশনের আইনে তা নেই। কাজেই অবিলম্বে ১৯ মে-র নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের লোগো বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানাতে বাধ্য হবেন। এক কথায় শাসক দলকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

লোগো বাতিলের হুঁশিয়ারি

লোগো বাতিলের হুঁশিয়ারি

শূন্যপদে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বেজায় চাপে পড়েছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার মামলার শুনানিতে শিক্ষা সচিবকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ক্যাবিনেট কীভাবে শূন্যপদে নিয়োগের অনুমোদন দিতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তারপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সরাসরি শাসক দলকে হুঁশিয়ার করেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, অযোগ্য প্রার্থীদের জন্য কেন শূন্যপদ তৈরি করা হবে। সংবিধান বিরোধী কাজ করছে রাজ্য সরকার। মন্ত্রিসভা এভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না বলে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন ১৯ মে-র নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে এমন পদক্ষেপ তিনি করবেন যা গোটা দেশ দেখবে। তিনি বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের লোগো প্রত্যাহারের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আর্জি জানাতেও পারেন।

নাম জড়াল শিক্ষামন্ত্রী

নাম জড়াল শিক্ষামন্ত্রী

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার নাম জড়াল রাজ্যের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। রাজ্যের শিক্ষাসচিব মনীশ জৈন আদালতে আজ ব্রাত্য বসুর নাম নিয়েছেন। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় শিক্ষা সচিবকে জিজ্ঞাসা করেছেন কার নির্দেশে তিনি এই নিয়োগ করিয়েছেন। তার জবাবে শিক্ষা সচিব ব্রাত্য বসুর নাম নেন। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটা একটা সিদ্ধান্ত। মন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছিলেন এই সিদ্ধান্ত যথোপযুক্ত স্থান থেকে এসেছে। ব্রাত্য বসুর সঙ্গে কথা হয়, তিনি আইনি পরামর্শ নেওয়ার কথা বলেন। কীভাবে তাঁদের নিয়োগ করা যায়। অবৈধ উপায়ে চাকরি প্রাপকদের জন্য এজি ল ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যসচিবকে জানানো হয়। তারপর ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত নেয়।'

কী বললেন বিচারপতি

কী বললেন বিচারপতি

শিক্ষা সচিবের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণে বলেন, 'শুধু বেআইনি নিয়োগ বাঁচাতে এটা কি ঠিক করা হয়েছে বলে আপনি মনে করেন? আপনার কি মনে হয় না, ক্যাবিনেট তার এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সংবিধান বিরোধী কাজ করেছে? ক্যাবিনেট সদস্যরা সই করলেন, কেউ সতর্ক করলেন না? মন্ত্রিসভা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার নোট দেখান। অবৈধের চাকরি বাঁচানোর জন্য মন্ত্রিসভা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা দেখান।' তার প্রেক্ষিতে শিক্ষা সচিব বলেন তিনি সেখানে ছিলেন না।

কী বললেন ব্রাত্য বসু

কী বললেন ব্রাত্য বসু

সূত্রের খবর ঘনিষ্ঠ মহলে ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন এটা একেবারেই মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত। তাঁর একক কোনও সিদ্ধান্ত নয়। তিনি আইনের সাহায্য নিয়ে মুখ্য সচিবকে কাজ করতে বলেছিলেন। তবে ব্রাত্য বসু এই নিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করলেও আদতে তাঁর দফতরের নিয়োগের দায়িত্ব যে তাঁকেই নিতে হবে তাতে কোনও দ্বিমত নেই। কারণ তাঁকে জানিয়ে এবং তাঁর অনুমোদন নিয়েই নিয়োগের যাবতীয় প্রক্রিয়া করা হয়েছিল।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+