Suvendu Adhikari and Mukul Roy: সুপ্রিম কোর্টে হবে সুবিচার! 'কুমড়ো' মুকুল রায়কে নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর
সাড়া জাগিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বেশ কিছু সময় আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু ২০২১-এর নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে তিনি তৃণমূলে ফেরত যান। ততদিনে তিনি অবশ্য কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক। তৃণমূলে যোগ
সাড়া জাগিয়ে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের বেশ কিছু সময় আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মুকুল রায়। কিন্তু ২০২১-এর নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে তিনি তৃণমূলে ফেরত যান। ততদিনে তিনি অবশ্য কৃষ্ণনগর উত্তরের বিজেপি বিধায়ক।
তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরেও বিধানসভা অধ্যক্ষ বলেছেন, মুকুল রায় বিজেপিতেই আছেন। যা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। এবার সেই মামলার ফলের অপেক্ষা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সুপ্রিম কোর্টে সুবিচারের আশা
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তর থেকে বিজেপির টিকিটে জয়ী মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অনেক আবেদন-নিবেদন করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দিয়েছিলেন তৃণমূলের যোগদানের ভিডিও। তার পরেও অধ্যক্ষ জানিয়েছেন মুকুল রায় বিজেপিতেই আছেন। এরপর মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে মামলা গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। বিরোধী দলনেতাই মুকুল রায়ের বিধানসভার সদস্যপদ বাতিলের দাবিতে গিয়েছিলেন সুপ্রিম কোর্টে। বিরোধী দলনেতার আশা বড় দিনের ছুটির পরে সুপ্রিম কোর্ট খুললে এব্যাপারে সুবিচার পাওয়া যাবে।

তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিজেপি বিধায়করা কুমড়োর মতো
রাজ্যে বাম শাসনের সময় তরমুজ কথাটি বারে বারে উঠে আসত। এমন অনেকেই ছিলেন বাইরে সবুজ অর্থাৎ কংগ্রেসি হলেও, সুবিধা নেওয়া ও যোগাযোগ ছিল বামেদের সঙ্গে। এবার তৃণমূলের শাসনের তৃতীয় পর্বে উঠে এল কুমড়ো তত্ত্ব। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়কদের অবস্থা কুমড়োর মতো। বাইরের রংটা সবুজ হলেও, কাটলে ভিতরে গেরুয়া। তৃণমূলের যোগ দেওয়া বিজেপি বিধায়করা বিধানসভার বাইরে সবুজ হলেও, বিধানসভার ভিতরে মুখ্যমন্ত্রী এবং অধ্যক্ষ তাঁদের বিজেপি বলেও চিহ্নিত করে থাকেন বলেও মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা।

সংবিধান অনুসারে চলে না পশ্চিমবঙ্গ
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আরও অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গ সংবিধানের দশম তফশিল মানে না। এব্যাপারে বলে রাখা ভাল, সংবিধানের দশম তফশিল অনুসারে কোন বিধায়ক দলবিরোধী আচরণ করা এবং সে কারণে তাঁর সদস্যপদ খারিজ হওয়া নিয়ে সিদ্ধান্ত নেন বিধানসভার অধ্যক্ষ। কোনও বিধায়কের কাজ দলত্যাগের মতো কিনা, তা ঠিক করে দেন বিধানসভার অধ্যক্ষই।

মুকুল রায় নিজেই বলেছিলেন তিনি তৃণমূলের বিধায়ক
২০২১-এর ১১ জুন তৃণমূল ভবনে মুকুল রায়কে তৃণমূলের উত্তরীয় পরিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তী সময়ে মুকুল রায়কে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান করে বিধানসভার অধ্যক্ষ। যা নিয়ে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। বিধানসভার অধ্যক্ষ বারে বারেই জানিয়েছেন, মুকুল রায়ের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার প্রমাণ তার কাছে নেই। যদিও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট দিতে গিয়ে মুকুল রায় বলেছিলেন, তিনি তৃণমূলের বিধায়ক।












Click it and Unblock the Notifications