তৃণমূল বনাম তৃণমূল, মন্ত্রীর অঙ্গুলিহেলনে এফআইআর দলীয় বিধায়কের বিরুদ্ধে!
তৃণমূল বনাম তৃণমূল। আরও স্পষ্ট করে বললে মন্ত্রী বনাম বিধায়ক। এখন আর মৌখিকভাবে নয়, একেবারে এফআইআর করে খোদাই হল দুই গোষ্ঠীর লড়াই।
কোচবিহার, ২৫ জানুয়ারি : তৃণমূল বনাম তৃণমূল। আরও স্পষ্ট করে বললে মন্ত্রী বনাম বিধায়ক। এখন আর মৌখিকভাবে নয়, একেবারে এফআইআর করে খোদাই হল দুই গোষ্ঠীর লড়াই। কোচবিহারের শীতলকুচির বিধায়ক হিতেন বর্মনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করল আইএনটিটিইউসি-র একটি শাখা। অভিযোগ, মন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ বর্মনের অঙ্গুলিহেলনেই এই এফআইআর হয়েছে।
মঙ্গলবার শাসকদলের শ্রমিক সংগঠনের গোষ্ঠী সংঘর্ষ প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। তৃণমূলীদের হাতে মার খেতে হয়েছিল তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা আলিজা রহমানকে। এবার তাঁর স্ত্রী রব্বানি বেদম যে এফআইআর করলেন, তাতা নাম রয়েছে দলের বিধায়ক হিতেন বর্মনেরও। হিতেন বর্মন-সহ ২০ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর হয়েছে। এই এফআইআর নিয়েই এখন দু'ভাগ কোচবিহার তৃণমূল।

মঙ্গলবার কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসা নিয়ে প্রবল বচসার মধ্যে শ্রমিকের হাতে রক্ত ঝরেছিল শ্রমিক নেতা আলিজা রহমানের। জখম হন ১৫ জন শ্রমিক। এই সঙ্ঘর্ষের ঘটনায় অভিযোগের তির ছিল বিধায়ক হিতেন বর্মনের দিকে। অভিযোগ ছিল, এই লড়াই আসলে বিনয় বর্মন ও হিতেন বর্মনের লড়াই। আলিজা রহমান বিনয় বর্মনের অনুগামী বলে পরিচিত। এদিন হিতেন বর্মনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ হল, তাতে বিনয় বর্মনের হাত রয়েছে বলে পাল্টা অভিযোগ উঠেছে।
হিতেন বর্মন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। কমিটি ভেঙে দেওয়া নিয়ে গণ্ডগোল। আর এই কমিটি গঠন হয়েছে জেলা নেতৃত্বের নির্দেশে। সেখানে আমার নাম জড়ানো হয়েছে উদ্দেশ্যপ্রেণোদিতভাবে। আইএনটিটিইউসি নেতা প্রহৃতের ঘটনায় তাঁর কোনও হাত নেই।












Click it and Unblock the Notifications