মাতৃপ্রতিমা উদ্বোধন মহালয়ায় চণ্ডীপাঠ সেরে, আজ শুধুই মণ্ডপ, বললেন মুখ্যমন্ত্রী
মহালয়া কাল। ফলে আজ মাতৃ প্রতিমা উদ্বোধন করছি না। প্যান্ডেল উদ্বোধন করছি। কলকাতায় হাতিবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপ উদ্বোধন করে এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী বন্দ্যোপাধ্যায়।
মুখ্যমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, তাঁকে আড়াই-তিন হাজার পুজোর উদ্বোধন করতে হবে আগামী কয়েক দিনে। যার সূচনা হলো হাতিবাগান সর্বজনীন দিয়ে।

হাতিবাগান সর্বজনীনের মণ্ডপ উদ্বোধনের সময় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অতীন ঘোষ, সুপ্তি পাণ্ডেরা। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তাঁর টনসিল ফুলেছে। সে কারণে রিস্ক না নিয়ে কান, মাথা, গলা কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বৃষ্টিতে ভিজবেন না। ইনফ্লুয়েঞ্জাও হচ্ছে। পুজো সকলের ভালো কাটুক, সেই প্রার্থনাও করেন মমতা।
হাতিবাগান সর্বজনীন থেকে তিনি চলে যান টালা প্রত্যয়ে। ছিলেন নগরপাল মনোজ ভার্মা, তৃণমূল নেতা তরুণ সাহা, মালা সাহা প্রমুখ। এই পুজোর এবার ১০০ বছর। ধনধান্যে ভরে, মা এসেছেন ভোরে- এই পুজোর থিম সং লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গেয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁরা কৃষিকাজ করেন, শস্য উৎপাদন করেন তাঁদের অনেকে ভুলে যান। কিন্তু তাঁরা ছাড়া আমরা খেতে পারব না, বাঁচব না। তাঁদের মনে রেখে টালা প্রত্যয়ের থিমে কৃষকদের শস্য ভাণ্ডারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, এ জন্য তাঁদের ধন্যবাদ। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পুজোর থিম সংও যে এবার তিনিই রচনা করেছেন, সে কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। বাংলা গানের সোনালি দিন মনে করাতে এবারেও মুখ্যমন্ত্রীর ভাবনামতো অনুরোধের আসরে গান গেয়েছেন প্রখ্যাত শিল্পীরা।
শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের মণ্ডপ উদ্বোধনও করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্ত্রী সুজিত বোস বলেন, আমাদের পুজোর উৎসব উৎসারিত সূচনা নামটি মুখ্যমন্ত্রীই দিয়েছেন। তিনি এই সূচনা করার পরেই তাঁর নির্দেশ মেনে কাল থেকে মণ্ডপ খুলে দেওয়া হবে। এখানে আলোকসজ্জায় তুলে ধরা হয়েছে দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন মন্দির। মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রথীন ঘোষ, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে বিধায়ক, কাউন্সিলররা হাজির ছিলেন শ্রীভূমিতে। সংগীত পরিবেশন করেন নচিকেতা ও অদিতি মুন্সী। ভিনরাজ্যে বাঙালিদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ এদিন উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। তিনি বলেন, আমরা একজোট না থাকলে দেশটাই টুকরো টুকরো হয়ে যাবে। আমরা বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যে বিশ্বাসী। জীবনমুখী গান জনপ্রিয় করতে নচিকেতার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ওঁর বৃদ্ধাশ্রম গানটি আমার খুূব ভালো লাগে।












Click it and Unblock the Notifications