জাতীয় সঙ্গীত হঠাৎ করে গাওয়া যায় না কি? বিজেপ বিধায়কদের গ্রেফতার করা যাবে না, নির্দেশ হাইকোর্টের
জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা হয়েছে। বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে কলকাতা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। ওই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টেও এবার মুখ পড়ল রাজ্য সরকারের। বিজেপি বিধায়কদের কোনওভাবেই গ্রেফতার করা যাবে না। মৌখিকভাবে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
জাতীয় সঙ্গীত হঠাৎ করে গাওয়া যায় কি? সেই প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। ফলে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননা বিতর্ক নতুন দিকে মোড় নিল। এবার রাজ্যের শাসক দল কী করবে? পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? তাই নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আগামী কাল মঙ্গলবার বিজেপি বিধায়কদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল।

বিধানসভার ভিতরে জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা হয়েছে। এমন অভিযোগ বিজেপি বিধায়কদের বিরুদ্ধে। কোথায় জাতীয় সঙ্গীত বাজছিল? আর কোথায় তখন ওই বিধায়করা ছিলেন? তা খতিয়ে দেখা হয়নি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে হেনস্থা করতে এই এফআইআর করেছে রাজ্যের শাসক দল। বিরোধী দল বিজেপির সঙ্গে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে তৃণমূল। এদিন আদালতে বিজেপি বিধায়কদের তরফে আইনজীবীর এমন বক্তব্যই ছিল।
বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর এজলাসে মামলার আবেদন করা হয়। আজ দুপুর একটায় শুনানি ছিল। বিচারপতি মৌখিকভাবে জানিয়ে দেন, কোনওভাবেই বিজেপি বিধায়কদের গ্রেফতার করা যাবে না। জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার বিষয় নিয়েও মন্তব্য করেছেন বিচারপতি।
হঠাৎ করে কেউ জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারেন না। এখন যদি কেউ এখানে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে শুরু করেন, সব কাজ বন্ধ করে সবাইকে দাঁড়িয়ে পড়তে হয়। এমন করা যায় না কি? অবশ্যই জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় মেনে চলা উচিত। এমনই মন্তব্য বিচারপতির।
শুনানি চলাকালীন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত আরও বক্তব্য রেখেছেন। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, এমন নয় যে বিজেপি বিধায়করা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার সময় স্লোগান করেছেন। তারা আগে থেকেই স্লোগান দিচ্ছিলেন। জাতীয় সঙ্গীতের জন্য একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মানা দরকার বলে বিচারপতির মত।
শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, এই বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হবে। সেই মতো বিজেপির পক্ষ থেকে আদালতের দ্বারস্থ হন তারা। বিচারপতির বক্তব্যে রাজ্য বিজেপি মহলে স্বস্তি ফিরেছে। ১১ জন বিধায়ককে এখন গ্রেফতার করতে পারবে না পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications