রাহুলের নেতৃত্বে তিন রাজ্যে উত্থান কংগ্রেসের, ‘অক্সিজেন’ পেয়ে অকাল হোলি বিধানভবনে
২০১৯-এর সেমিফাইনাল যুদ্ধের ফলাফলে বদলে গেল বাংলার কংগ্রেসের শরীরী ভাষাও। দীর্ঘদিন পর বিধানভবনে দেখা গেল উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনার ছবি।
২০১৯-এর সেমিফাইনাল যুদ্ধের ফলাফলে বদলে গেল বাংলার কংগ্রেসের শরীরী ভাষাও। দীর্ঘদিন পর বিধানভবনে দেখা গেল উচ্ছ্বাস ও উন্মাদনার ছবি। প্রদেশ কংগ্রেসের সদর কার্যালয়ের সামনে বাজি পুড়িয়ে উচ্ছ্বাসে মাতলেন কর্মী-সমর্থকরা। শুরু হল আবির খেলা। একইসঙ্গে কংগ্রেসের জয়ে অক্সিজেন পাওয়া বাংলার কংগ্রেস বুধবার রানি রাসমণি রোডে বিজয় উৎসবের ডাক দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র।

বাংলার কংগ্রেসে অক্সিজেন
বিধানভবন থেকে কার্যত উভে গিয়েছিল উন্মাদনা। অন্ধকারে ডুবে থাকত কংগ্রেসের প্রদেশ অফিস। কংগ্রেস সভাপতি হওয়ার বর্ষপূর্তিতে তিন রাজ্যে কংগ্রেসের বিপুল উত্থান আবারও আলো ফিরিয়ে দিল বিধানভবনে। ওই তিন রাজ্য থেকে অক্সিজেন নিয়ে বাংলার কংগ্রেস আবার জেগে উঠতে চাইছে। কর্মী-সমর্থকদের বিশ্বাস, তারা এবার বাংলাতেও ঘুরে দাঁড়াবে।

কেন নয় বাংলায়
মোট কথা, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ের সাফল্য থেকে বাংলায় ঘুরে দাঁড়ানোর রসদ খুঁজছে কংগ্রেস। কর্মী-সমর্থকদের বিশ্বাস, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়়ে যদি কংগ্রেস পারে, কেন নয় বাংলায়। এইভাবেই নিজেদেরকে মোটিভেট করতে চাইছেন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা।

তিন রাজ্যের সঙ্গে তুলনা
তিন রাজ্যেই কংগ্রেস দীর্ঘদিন ক্ষমতায় ছিল না। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রাহুলের কংগ্রেস মুথ থুবড়ে পড়েছিল। সেবার রাজস্থান, ছত্তিশগড়ে কোনও আসনই জিততে পারেনি কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশেও নামমাত্রা আসনে জিতেছিল কংগ্রেস। ৬৫ আসনের অধিকাংশই গিয়েছিল মোদীর ঝুলিতে।

বিজয়োৎবের ডাক সোমেনের
বাংলার কংগ্রেস তারপরই বলতে শুরু করেছে, এই অবস্থা থেকে কংগ্রেস ফিরে এসেছে তিন রাজ্যে। এবার বাংলাতেও কংগ্রেস ফিরবে। সোমেন মিত্র প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হয়ে এসেছেন। তিন রাজ্যে কংগ্রেসের এই উত্থানের পর তিনি বিজয়োৎবের ডাক দিয়েছেন। সেইমতো বুধবার রানি রাসমণি রোডে বিজয় উৎসবের মঞ্চে বিপুল জনসমাগমও ঘটাতে চাইছে।












Click it and Unblock the Notifications