• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    আবারও বন্ধ হল কারখানা, কাজ হারালেন ১১০০ কর্মী

    • By Ananya Pratim
    • |
    বাংলা
    কলকাতা, ১৫ সেপ্টেম্বর: গতকালই ঝাঁপ ফেলেছিল কাঁকিনাড়ার নফরচাঁদ জুট মিল। আর সোমবার বন্ধ হয়ে গেল খড়দহ জুট মিল। এনজেএমসি (ন্যাশনাল জুট ম্যানুফ্যাকচারার্স কর্পোরেশন) জুট মিল নামেও এটি পরিচিত। এর জেরে এ দিন সকালে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান শ্রমিকরা। অবরোধ করা হয় বিটি রোড। পরে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেন, শীঘ্রই আবার কারখানা চালু হবে। তা যতদিন না হচ্ছে, ততদিন বেকার থাকতে হবে ১১০০ কর্মীকে।

    আরও পড়ুন: তালা ঝুলল কাঁকিনাড়ার চটকলে, পুজোর আগেই কর্মহীন তিন হাজার

    পশ্চিমবঙ্গে শিল্পের এখন অন্তর্জলি যাত্রা চলছে। বড় থেকে ছোট, একগাদা কারখানা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ডানলপ, হিন্দমোটর, শালিমার পেন্টস তো আছেই, ছোট কারখানারও খামতি নেই! এখন পরপর চটকল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। হাওড়ার সাঁকরাইলের ডেল্টা জুট মিল, কাঁকিনাড়ার নফরচাঁদ জুট মিলের পর তালিকা লম্বা করল খড়দহ জুট মিল।

    এনজেএমসি জুট মিলটি সরকারি মালিকানাধীন। আট বছর আগে এক ঠিকাদারকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর নাম বাসু মল্লিক। তিনিই এতদিন কারখানাটি চালাচ্ছিলেন। রোজ ১৮ টন পণ্য উৎপাদন হত এখানে।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এ দিন সকাল সাতটা নাগাদ শ্রমিকরা এসে দেখেন, কারখানার গেটে সাসপেনশন অফ ওয়ার্কের নোটিশ ঝুলছে। তাঁরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিটি রোডে টাটা গেটের সামনে শুরু হয় অবরোধ। সকাল ১০টার সময় বিরাট পুলিশবাহিনী নিয়ে হাজির হন ব্যারাকপুর কমিশনারেটের ডিসি (ট্রাফিক) দেবাশিস বেজ। কারখানা কর্তপক্ষের সঙ্গে ফোনেই আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত সকাল ১১টায় অবরোধ উঠে যায়।

    এদিকে, দীর্ঘক্ষণ অবরোধের জেরে বিটি রোড অচল হয়ে পড়ে। দীর্ঘ যানজটে নাকাল হন অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা। যান চলাচল স্বাভাবিক হতে হতে দুপুর গড়িয়ে যায়।

    English summary
    Another jute mill downs shutters, 1100 workers jobless
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more