বিজেপির মিশন বাংলা, পঞ্চায়েতকেই পাখির চোখ করতে প্রস্তুত অমিত-পরিকল্পনা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আগে বিজেপি দিল্লি সামলাক, বাংলা তো বহুদূর!’ কিন্তু দূরের সেই বাংলাকে নিকট করতে পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ফেলল বিজেপি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, 'তাঁদের লক্ষ্য এবার লালকেল্লা। আগে বিজেপি দিল্লি সামলাক, বাংলা তো বহুদূর!' কিন্তু দূরের সেই বাংলাকে নিকট করতে পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ফেলল বিজেপি। তাঁরা ২০২১ থেকে টার্গেট নামিয়ে আনছে ২০১৮-নির্বাচনে। তাদের টার্গেট আসন্ন পঞ্চায়েত ভোট। রাজ্যের শাসককে বার্তা দিতে গ্রাম দখলই পয়লা নম্বর লক্ষ্য দিলীপ-মুকুলদের।

সেই লক্ষ্যে যেমন তাঁরা দরবার করেছেন রাজ্যপালের কাছে, তেমনই এপ্রিলেই রাজ্যে আসছেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সঙ্গে আনছেন ভোট-যুদ্ধে জেতার নয়া পরিকল্পনা। সমস্ত বুথে প্রার্থী দেওয়ার নির্দিষ্ট লক্ষ্য ইতিমধ্যেই স্থির করা হয়েছে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করা যেমন দুরুহ, তেমনই তাঁদের মনোনয়নেও রয়েছে প্রবল বিপত্তি। তাই সুনির্দিষ্ট পথে তাঁদের এগোতে হবে লক্ষ্যপূরণে।
বিজেপি মুখে বললেও, নিজেদের সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে তাঁরা অবহিত। এমতাবস্থায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের উপর নজর রাখতে হচ্ছে বঙ্গ বিজেপিকে। তাঁদের লক্ষ্য, তৃণমূল ভাঙিয়ে প্রতি বুথে প্রার্থীর বন্দোবস্ত করা। সেই কারণেই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই মুকুল রায়কে রাখা হয়েছে অগ্রভাগে। এর মধ্যেই বিজেপি আশঙ্কা করছে, তৃণমূল যে করেই হোক তাঁদের প্রার্থীর মনোনয়ন আটকাবে।
তাই ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের কাছে দরবার করে অন লাইনে মনোনয়ন প্রদান ব্যবস্থা চালু করার আর্জি জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ-মুকুল রায়রা। দিলীপবাবু জানান, তৃণমূল বিরোধীশূন্য পঞ্চায়েত গড়তে উদগ্রীব। তাই ক্ষমতা দিয়ে, সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করে ওরা আটকানোর চেষ্টা করবে বিজেপিকে। এখন থেকেই তার মোকাবিলায় নামতে হবে আমাদের।
আর এই অবস্থায় বিজেপিকে শক্তি জোগাতে আসছেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। প্রথমে নতুন বছরের শুরুতেই তাঁর আসার কথা ছিল বাংলায়। পরে স্থির হয় ত্রিপুরা ভোট মিটিয়েই তিনি বাংলায় আসবেন। কিন্তু দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে অমিত শাহ আসবেন বাংলায়।
অমিত শাহ যেমন রাজ্যে এসে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন, তেমনই তিনি জনসভাও করবেন দুটি। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গে দুটি পৃথক জনসভা করবেন বলেও প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে। এছাড়াও পার্টির সার্বিক কাজকর্ম তিনি খতিয়ে দেখবেন। রাজ্যে কতটা অগ্রগতি হল বিজেপির, তা দেখেই তিনি পরবর্তী নির্দেশ দিয়ে যাবেন।












Click it and Unblock the Notifications