পার্থ কাণ্ডে চাপে তৃণমূল, ড্যামেজ কন্ট্রোলে এবার চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
আগামিকাল আন্দোলনরত চাকরি প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদুল্লার সঙ্গে ফোনে কথা হয় অভিষেকের। পুরো বিষয়টাই ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তা স্পষ্ট। এর আগে এইসব জায়গায় গিয়ে মন ভোলানোর চেষ্টা করতেন পার্থ স্বয়ং। এবার তিনি সব দুর্নীতির মূলে দাঁড়িয়ে ইডির হাতে পড়ে গিয়েছেন। কাউকে একটা সামনে আসতে হতই। দায়িত্ব নিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিকে ৫০১ দিন হয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিবাদ। তাঁরা বলছেন তেমন হলে আরও ৫০০ দিন আন্দোলন চলবে। তাঁরা এও বলছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী আগে আশ্বাস দিলেও তার ইতিবাচক ফল মেলেনি বলে আন্দোলনকারীরা অবাকও।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের দাবি দলের অন্দরে ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এক কাণ্ড হচ্ছে তবু একবারও পার্থবাবু নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেননি, টিএমসির রাজ্য সম্পাদক কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন এমনটাই। কথা বলার। তিনি একাধিকবার সুযোগ পেয়েছেন ,কর্মীরা চরম অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের মুখ লোকাতে হচ্ছে যাঁরা দলকে ভালেবেসে সততার সঙ্গে কাজ করেন। এটা মানতে পারছেন বলে জানান কুণাল। তাই তিনি মনে করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা উচিত। কুণাল ঘোষের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন টিএমসির দুই মুখপাত্র দেবাংশু এবং বিশ্বজিৎ দেব। তাঁরা দাবি করেছেন দলের ৯৯ শতাংশ কর্মীদের জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বহিষ্কার করা উচিত।
যখন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের দাবি উঠেছে ঠিক তখই তড়িঘড়ি বৈঠক ডাক দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেল ৫টায় টিএমসি ভবনে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির বৈঠক েডকেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠক ডাকার পরেই কুণাল ঘোষ তাঁর করা পুরনো টুইট সরিয়ে দেন। তিনি জানিয়েছেন সেই বৈঠকে তাঁকেও ডাকা হয়েছে। যদি দলে বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে তাহলে তাঁর আলাদা করে তা নিয়ে টুইট করার কিছু নেই।
আজই আবার মন্ত্রিসভার বৈঠক ডেকেছেন মমতা। নবান্নে বসবে বৈঠক। এই প্রথম পার্থকে ছাড়াই বৈঠকের ডাক। সেই বৈঠকে পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরােনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও গতকালও মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকারই একপ্রকার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেেছন বড় সংগঠন চালতে গেলে ভুল হতেই পাবে বলে মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম থেকেই দলনেত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নরম মনোভাব রেখে চলছেন।












Click it and Unblock the Notifications