দ্বিতীয় দফার উপজেলা ভোটে হিংসা, সোনাইমুড়িতে নিহত এক

দ্বিতীয় দফায় ১১৫টি উপজেলায় ভোট নেওয়া হয় বৃহস্পতিবার। প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকলেও ঠেকানো যায়নি সংঘর্ষ। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এদিন নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের নান্দিয়াপাড়া কলেজের বুথে হঠাৎ সংঘর্ষ বেধে যায়। এখানে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি সমর্থকরা খণ্ডযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। বোমা, গুলির ব্যবহার হয় যথেচ্ছ। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশকে গুলি চালাতে হয়। তখনই সাদ্দাম হোসেন (২০) নামে এক যুবক মারা যায়। এই ঘটনার পর ওই ভোটকেন্দ্রে বন্ধ হয়ে যায় ভোটপর্ব। বিএনপি বলেছে, সাদ্দাম তাদের সমর্থক। যদিও এর বিরোধিতা করেছে নিহতের পরিবার।
এদিকে, যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কায়েমকোলা বিদ্যালয়ের বুথ থেকে একদল দুষ্কৃতী ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। অভিযোগ, আওয়ামী লীগের গুন্ডারা এই কাজ করেছে। যদিও দলের তরফে তা অস্বীকার করা হয়েছে। চাঁদপুরের ৮৫টি বুথ বুথ থেকে বিএনপি-র এজেন্টদের আওয়ামী লীগ বের করে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে বিএনপি কর্মীরা রাস্তায় নেমে স্লোগান দিলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠি চালায় বলে অভিযোগ।
নিহতের নাম সাদ্দাম হোসেন
ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ভোটারদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। এখানে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ কর্মীরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। গোপালগঞ্জে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয়। এতে এক পুলিশকর্মী আহন হন। কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন বুথে জাল ভোট পড়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। চট্টগ্রামে কয়েকজন জামায়ত-ই-ইসলামি সমর্থক ভোটারদের বলেন, "আপনারা আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেন না।" এর জেরে উত্তেজনা ছড়ায়। শেষে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নইমুল ইসলাম বিরাট বাহিনী নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেন।
প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন গত ২৩ জানুয়ারি ১১৭টি উপজেলায় ভোট নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালী এবং চাঁদপুরের হাইমচরে ভোট হয়নি অনিবার্য কারণে। দ্বিতীয় দফার ভোটে ১১৫টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৫০০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫০৬ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩৩৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটদাতা রয়েছেন ১৯,৫৯২,৮৬৮ জন।












Click it and Unblock the Notifications