আমেরিকার চোখে ভারত 'বন্ধু'! জাতীয় সুরক্ষায় চিন ও রাশিয়াকে দুই আলাদা বিশেষণ
আমেরিকার চোখে ভারত 'বন্ধু'! জাতীয় সুরক্ষায় চিন ও রাশিয়াকে দুই আলাদা বিশেষণ
বিশ্বের অর্থনীতি এবং রাজনীতিক পরিবর্তত হচ্ছে। আমেরিকার কাছে ভারত এখন বন্ধু। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভারতকে ওয়াশিংটনের ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিক ইনিশিয়েটিভের বড় বন্ধু বলে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে চিনকে তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী এবং জাতীয় সুরক্ষার পক্ষে হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন।

ভারতের প্রশংসায় আমেরিকা
২০২২ সালে আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রকাশ করতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র এবং প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদার। ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করার ব্যাপারেও বার্তা দিয়েছেন তিনি। ভারত ইন্দো প্যাসিফিক এলাকায় ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের অংশীদার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ভারত তাদের বর্তমান ভূমিকা অব্যাহত রাখবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন আমেরিকার প্রসিডেন্ট। প্রসঙ্গত ইন্দো-প্যাসিফিক কোয়াডে ভারত ও আমেরিকা ছাড়াও রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান। তিনি উল্লেখ করেছেন, কোয়াড আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জেরও মোকাবিলা করেছে।

প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে এগোবে আমেরিকা
২০২২-এর জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের রূপরেখার কথা বলতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, আমেরিকা তাদের ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগীদের পিছনে ফেলে দেবে। পাশাপাশি তারা চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করবে এবং বিশ্বকে একটি উজ্জ্বল এবং আগামীর জন্য দৃঢ়ভাবে স্থাপন করবে।

আমেরিকার কৌশল
আমেরিকার কৌশল বর্ণনা করতে গিয়ে বাইডেন বলেছেন, প্রতিযোগী চিনকে পরাজিত করা এবং রাশিয়াকে বাধা দেওয়াই মূল লক্ষ্য। বাইডেন বলেছেন, চিন এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে, যেখানে সব ক্ষমতাই তাদের দিকে নিতে চায়। সেই পরিস্থিতিতে আমেরিকা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ এবং সেটা তাদের দেশের দায়িত্বও। আমেরিকার কৌশলে বলা হয়েছে, চিন ও রাশিয়া ক্রমশ কৌশলগতভাবে একত্রিত হয়ে একটি চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। চিন যে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতে চায় তাও উল্লেখ করেছে আমেরিকা। বাইডেনের দাবি, মস্কোর পাশাপাশি বেইজিংও আর্কটিক অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে।

রাশিয়া নৃশংস
একই জায়গায় প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, প্রতিবেশী ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়া নৃশংস এবং কোনও উত্তেজনা না থাকাতেও যুদ্ধ করে ইউরোপের শান্তি বিঘ্নিত করেছে। এছাড়াও তারা সর্বত্র স্থিতিশীলতাকে প্রভাবিত করেছে। পাশাপাশি তাদের বেপরোয়া পারমাণবিক যুদ্ধের হুমকি বিশ্বব্যাপী অসম্প্রসারণ ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তুলেছে। আন্তর্জাতি শান্তি ও স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে রাশিয়া হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে রিপোর্টে।
আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধকে পুতিনের যুদ্ধ বলে মন্তব্য করা হয়েছে। এই যুদ্ধের জেরে রাশিয়ার মর্যাদা হ্রাস পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বাইডেন।












Click it and Unblock the Notifications