পোল্যান্ডের মিসাইল হানার নেপথ্যে কোন কারণ? স্পষ্ট করল আমেরিকা
পোল্যান্ডের মিসাইল হানার নেপথ্যে কোন কারণ? স্পষ্ট করল আমেরিকা
যুদ্ধ চলছে ইউক্রেন-রাশিয়ার। হঠাৎ করে তার মাঝে পোল্যান্ডে আছড়ে পড়ল রুশ মিসাইল। তোলপাড় আন্তর্জাতিক মহল রুশ মিসাইলের হানায় ২ পোল্যান্ডবাসী আবার মারাও গিয়েছেন। ঘটনা জানার পরেই জি-২০ সামিটের মাঝেই ন্যাটোর বৈঠক ডাকেন জো বাইডেন। উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। কারণ জি-২০ সামিটে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও ছিলেন।

যদিও রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয় সেই মিসাইল তারা ছোড়েনি। রাশিয়া যদি সেই মিসাইল না ছোড়ে তাহলে কে এই মিসাইল ছুড়ল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। আমেরিকার পক্ষ থেকে তারপরে তদন্ত করে জানানো হয়েছে ইউক্রেন সেনাই সেই মিসাইল ছু়ড়েছল। রাশিয়া থেকে ছোড়া ক্ষেপনাস্ত্রের পাল্টা জবাব দিতে গিয়েই তারা সেই মিসাইল ছোড়ে। সেটা পোল্যান্ডে সীমান্ত শহরে এসে পড়েছিল তাতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
মার্কিন আধিকারিকদের এই তদন্তের পর কিছুটা হলেও জি-২০ সামিটে উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে। এদিকে পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ড মিসাইল হানার খবর পেয়েই সেনা বাহিনীকে সতর্ক করেছিল। দ্রুত তৎপরতার সঙ্গে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট। সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক এবং জার্মান চ্যান্সেলরের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকও করেন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট।
শেষ পর্যন্ত কারন জানার পর পরিস্থিতি কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হয়েছে। রাশিয়ার সঙ্গে ইউক্রেনের যদ্ধ ঘিরে ইউরোপ জুড়ে চরম অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। রাশিয়ার বিরোধিতা করে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের দেশগুলি। এদিকে গতকাল ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পাওয়ার গ্রিডে মিসাইল হানা চালিয়েছে রাশিয়া। তার জেরে কিয়েভ সহ ইউক্রেনের একটা বড় অংশ অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। রাশিয়ার সঙ্গে বুক চিতিয়ে লড়াই করছে ইউক্রেন। এখনও কিয়েভ দখল করতে পারেনি রুশ সেনা। একের পর এক মিসাইল হানা চালিয়ে তাই ইউক্রেনকে দুর্বল করে ফেলতে চাইছে রাশিয়া। ঠান্ডার মধ্যে ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হলে সবচেয়ে সমস্যায় পড়বেন সাধারণ মানুষ। প্রচণ্ড ঠান্ডায় একাদিক ব্যক্তির মৃত্যুও হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications