ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা জানাল যুক্তরাষ্ট্র, কোয়াড ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশংসা
ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে নয়াদিল্লিকে বিশেষ শুভেচ্ছা জানান মার্কিন প্রশাসন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত ঘনিষ্ঠতা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে "ঐতিহাসিক বন্ধন" বলে অভিহিত করলেন মার্কিন বিদেশ মন্ত্রী মার্কো রুবিও। তাঁর ভাষায়, প্রতিরক্ষা থেকে শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ থেকে উদীয়মান প্রযুক্তি নানান ক্ষেত্রে হাত ধরাধরি করেই এগোচ্ছে দিল্লি ও ওয়াশিংটন। সেই তালিকায় রয়েছে ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলে কোয়াডের বহুপাক্ষিক মঞ্চও।
রুবিও বলেন, প্রজাতন্ত্র দিবস শুধু ভারতবাসীর গর্বের দিন নয়, বরং দুই গণতান্ত্রিক শক্তির বন্ধুত্বের প্রতীকও বটে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরেও অভিন্ন ইস্যুতে যৌথ উদ্যোগ ও সমন্বয় আরও জোরদার হবে।

প্রজাতন্ত্র দিবস প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি পালিত হয়, ১৯৫০ সালে এদিনই কার্যকর হয় ভারতের সংবিধান, স্বাধীনতার সংগ্রামের পর সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত গড়ে ওঠে। ন্যায়, স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের মূল্যবোধে প্রতিষ্ঠিত আধুনিক ভারতের রূপকথার সূচনা এখানেই।
এবারের অনুষ্ঠানে ইউরোপীয় কাউন্সিলের সভাপতি আন্তোনিও কোস্টা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন ডার লেয়েন উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে শুরু করে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পর্যন্ত কার্তব্য পথ সাজিয়ে তোলা হয়েছে বিশেষ আভিজাত্যে ইতিহাস, উন্নয়ন, সামরিক সক্ষমতা ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের অনবদ্য সম্মিলনে।
প্রতিরক্ষামন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্যারেডে এক অনন্য থিম 'স্বাধীনতার মন্ত্র বন্দে মাতরম্' ও 'সমৃদ্ধির মন্ত্র আত্মনির্ভর ভারত'। মোট ৩০টি ট্যাবলো, তার মধ্যে.১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, বাকিগুলি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও বাহিনীর প্রদর্শনী। ১৫০ বছরের 'বন্দে মাতরম্' ঐতিহ্যকে পটভূমিতে রেখে উঠে আসবে ভারতের আত্মনির্ভর যাত্রা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি, কৌশলগত শক্তি আর বহুবর্ণ সংস্কৃতির অনবদ্য সমাহার।












Click it and Unblock the Notifications