• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

করোনা টিকা আবিষ্কারের আগেই ৫২ কোটি ইনজেকশন মজুতের লক্ষ্যে ইউনিসেফ, খোঁজ চলছে হিমঘরের

  • |

ইতিমধ্যেই সর্বশেষ ট্রায়ালের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে বেশ কিছু করোনা ভ্যাকসিন। অন্যদিকে প্রতিষেধক আবিষ্কারের পরপরই বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটি ইঞ্জেকশন সরবরাহের লক্ষ্যে তৎপরতা বাড়িয়েছে ইউনিসেফও। সূত্র বলছে, ইতিমধ্যেই লক্ষ্যপূরণের কাজে নেমে পড়েছে এই আন্তর্জাতিক সংস্থা। ৫২ কোটি সিরিঞ্জ ভাঁড়ারে মজুত রাখছে ইউনিসেফ!

২০২১-এর মধ্যে ১০০কোটি সিরিঞ্জের লক্ষ্যমাত্রা

২০২১-এর মধ্যে ১০০কোটি সিরিঞ্জের লক্ষ্যমাত্রা

ইউনিসেফের এক আধিকারিক জানান, ২০২১-এর মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি সিরিঞ্জের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে ইউনিসেফ, যা মেটানোর জন্য এখন থেকেই দরকার বড়সড় পদক্ষেপ। ইউনিসেফের একজিকিউটিভ ডিরেক্টর হেনরিয়েট্টা ফোর জানিয়েছেন, "করোনা দূরীকরণের লক্ষ্যে বৃহৎ লক্ষ্যমাত্রার দিকে এগোচ্ছি আমরা। দ্রুত পদক্ষেপ নিতে গেলে আমাদের তাড়াতাড়ি ৫০কোটিরও বেশি ইঞ্জেকশন মজুত করতে হবে।" ইউনিসেফের তরফে জানা গেছে, কোভিডের জন্য ১০০কোটি সিরিঞ্জের পাশাপাশি আরও ৬২ কোটি সিরিঞ্জ তারা কিনছে মিসলস ও টাইফয়েডের মত রোগ দূর করার লক্ষ্যে।

 ইউনিসেফের সহায়তায় গাভি নামক সংস্থা

ইউনিসেফের সহায়তায় গাভি নামক সংস্থা

সূত্রের খবর, ইউনিসেফকে এই বিশাল কর্মযজ্ঞে সহায়তা করছে গাভি নামক একটি সংস্থা। সিরিঞ্জ, নিরাপত্তা বক্স সহ একাধিক আনুষাঙ্গিক জিনিসের যোগান দেবে গাভি। ইউনিসেফের আধিকারিক জানিয়েছেন, কোভ্যাক্স ফেসিলিটির ক্ষেত্রে গাভির সহায়তা বিশেষ ভাবে প্রয়োজন। অন্যদিকে, প্রায় ৫০ লক্ষ নিরাপত্তা বক্স কিনছে ইউনিসেফ। মূলত প্রতিষেধক দেওয়ার পর সাবধানতার সাথে সিরিঞ্জ নিষ্ক্রিয় করার কাজে ব্যবহৃত হয় নিরাপত্তা বক্স। একটি নিরাপত্তা বাক্সে প্রায় ১০০টি সিরিঞ্জ ধরে। ইউনিসেফের তরফে এও জানানো হচ্ছে, সিরিঞ্জ ও নিরাপত্তা বক্স তৈরির পর থেকে তা ব্যবহারের জন্য ৫ বছর পর্যন্ত সময় পাওয়া যাবে। ফলে ক্রয় ও বহন খরচ বাবদ যে অর্থ খরচ হবে, তার জন্য তহবিলে অর্থ সাহায্যেরও আবেদন করা হয়েছে ইউনিসেফের তরফে।

সিরিঞ্জ ও নিরাপত্তা বক্স বহনে জটিলতা

সিরিঞ্জ ও নিরাপত্তা বক্স বহনে জটিলতা

এই আন্তর্জাতিক সংস্থার সূত্রে এও জানা গেছে, ইনজেকশন ও নিরাপত্তা বাক্সের ওজনের কারণেই আকাশপথের বদলে জলপথে আনানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, তাপ-সংবেদনশীল হওয়ায় ভ্যাক্সিনকে সাধারণত আকাশপথে আনা হয়। এই সমস্যার কারণেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চাইছে ইউনিসেফ। তাদের মতে, এখনই সিরিঞ্জের ব্যবস্থা করে রাখলে প্রতিষেধক আবিষ্কারের পর বাজারের উপর থেকে চাপ কিছুটা হলেও কমবে।

ইউনিসেফের উপর ভরসা রাখছে অন্যান্য দেশগুলি

ইউনিসেফের উপর ভরসা রাখছে অন্যান্য দেশগুলি

বিশ্বের একমাত্র সংস্থা হিসেবে প্রত্যেক বছর সবচেয়ে বেশি সিরিঞ্জ ক্রয় করে ইউনিসেফ। বার্ষিক টিকাদান কর্মসূচির কারণে প্রায় ১০০টি দেশ নির্ভরশীল ইউনিসেফের উপরে। প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুর টিকাদানের লক্ষ্যে ৬০-৮০ কোটি সিরিঞ্জ জোগায় ইউনিসেফ। গাভি সংস্থার সিইও শেঠ বার্কলি জানিয়েছেন, "প্রত্যেক বছর ইউনিসেফের পাশাপাশি অতিরিক্ত ৮২.২ কোটি শিশুর টিকাদানের দায়িত্ব নেয় গাভি। আমরা বিশ্বাস করি ইউনিসেফের সাহায্য ছাড়া এটা সম্ভব নয়। আমরা কোভ্যাক্স ফেসিলিটিতেও একইরকম সহায়তায় প্ৰস্তুত।"

হিমঘরের সন্ধানে হু-ইউনিসেফ

হিমঘরের সন্ধানে হু-ইউনিসেফ

ইউনিসেফের তরফে হেনরিয়েট্টা জানিয়েছেন, "হু-এর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বের সকল সরকারি-বেসরকারি হিমঘরের সঙ্গে যোগাযোগ করছি আমরা। ভ্যাকসিনকে সুরক্ষিত করাই আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।" গাভি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের উদ্যোগে যেভাবে সুরক্ষিত উপায়ে ভ্যাকসিন মজুতের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করছেন গবেষকরা, তাতে আশাবাদী প্রত্যেকেই। সূত্র বলছে, ২০১৭ সাল থেকে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন ও ওষুধ মজুতের লক্ষ্যে প্রায় ৪০,০০০ হিমঘর তৈরি করা হয়েছে।

বর্ধমান : করোনার প্রভাব পুজোর মিষ্টিমুখেও

দুর্গাপুজো মণ্ডপ নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে আদালতের দ্বারস্থ পুজো কমিটিগুলি

{quiz_399}

English summary
unicef aims to store 52 crore injections before corona vaccine is discovered search is on for the freezer
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X