থাইল্যান্ডে মানব পাচার চক্র: বিচারে সেনাবাহিনীর জেনারেল দোষী সাব্যস্ত
বহু বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলমানকে পাচার, অপহরণ, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে থাইল্যান্ডের একজন শীর্ষস্থানীয় সেনাকর্মকর্তাসহ অন্তত চল্লিশ জন অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছেন একজন বিচারক। সমুদ্রপ
বহু বাংলাদেশী ও মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানকে পাচার, অপহরণ, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে থাইল্যান্ডের একজন শীর্ষস্থানীয় সেনাকর্মকর্তাসহ অন্তত চল্লিশ জন অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিয়েছেন একজন থাই বিচারক।
এটি ছিল দেশটির ইতিহাসের বৃহত্তম মানব পাচার বিষয়ক একটি মামলা। এতে একশোরও বেশী মানুষের বিরুদ্ধে পাচার, অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়।
২০১৫ সালে থাইল্যান্ডের সমুদ্র তীরবর্তী একটি জঙ্গলে পাচারের শিকার হওয়া হাজার হাজার মানুষকে উদ্ধার করা হয়।
ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাড়া ফেলে এবং ব্যাপক সমালোচনার মুখে এক পর্যায়ে থাই কর্তৃপক্ষ পাচার চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান চালাতে বাধ্য হয়।
ওই সময়ে থাই-মালয়েশিয়া সীমান্তে বহু গণকবরও আবিষ্কৃত হয়, যেগুলো ছিল মূলত পাচারের শিকার হওয়া বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মৃতদেহে পূর্ণ।
যারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাদের অধিকাংশই থাই নাগরিক, তবে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশেরও কিছু নাগরিক রয়েছেন এদের মধ্যে।
এদের অন্যতম হলেন থাইল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মানাস কংপ্যান।
তিনি বাংলাদেশী ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের থাইল্যান্ডে পাচার করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
বাকীদের বিরুদ্ধে অপহরণ, হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
আরো পড়ুন:
ভূমিকম্প প্রবণ স্থানে গভীর গর্ত খুঁড়ছে কেন ভারতীয়রা?
সোশ্যাল মিডিয়া 'তরুণদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে'













Click it and Unblock the Notifications