থমকে থাকা বিমান পরিষেবা ফের একবার চালু করতে বলে ভারতকে চিঠি দিল তালিবান
প্রায় মাসখানেক হতে চলল তালিবানের কাবুল দখল। ইতিমধ্যে সে দেশের ক্ষমতায় তারাই। যদিও ক্ষমতায় আসার আগেই আফগানিস্তানকে ঢেলে সাজানোর কথা বলে তালিবানরা। কিন্তু এখনও সে দেশে আতঙ্ক। তালিবানদের নৃশংসতার ছবি দেখছে বিশ্বের মানুষ।
প্রায় মাসখানেক হতে চলল তালিবানের কাবুল দখল। ইতিমধ্যে সে দেশের ক্ষমতায় তারাই। যদিও ক্ষমতায় আসার আগেই আফগানিস্তানকে ঢেলে সাজানোর কথা বলে তালিবানরা। কিন্তু এখনও সে দেশে আতঙ্ক। তালিবানদের নৃশংসতার ছবি দেখছে বিশ্বের মানুষ।

যদিও এই পরিস্থিতিতে সমস্ত কিচু স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর সেই লক্ষ্যেই ইতিমধ্যে গোটা বিশ্বকে তাঁদের দেশের সঙ্গে বিমান পরিষেবা দ্রুত শুরু করার বার্তা দেওয়া হয়েছে তালিবানদের তরফে। এবার ভারতকেও এই বিষয়ে আহ্বান জানিয়ে চিঠি তালিবানদের। যদিও বেশ কিছুদিন আগে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। এমনটাই জানা গিয়েছে।
ক্রমশ পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারনে গত ১৬ অগস্ট শেষ বিমান দিল্লির উদ্দেশ্যে ওড়ে কাবুল থেকে। আর এরপরেই রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয় আফগানিস্তানের এয়ারস্পেস। ফলে নতুন করে আরও বেসরকারি বিমান সেদেশে যেতে পারেনি।
যদিও ভারতীয় বায়ুসেনার সাহায্যে আটকে পড়া ভারতীয়দের উদ্ধার করা হয়। আর এরপর থেকেই আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পূর্ণ ভাবে বিমানের মাধ্যমে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পর ফের একবার ভারত এবং আফগানিস্তানের মধ্যে বিমান পরিষেবা চালু করার বার্তা দেওয়া হয়েছে তালিবানের তরফে।
DCGA অর্থাৎ ভারতের ডিরেক্টর জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশনকে তালিবানদের তরফে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। তালিবানের তরফে দেওয়া চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে হামিদুল্লা আখুন্দজাদার। জানা গিয়েছে, দেওয়া চিঠিতে প্রথমে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। আর এরপরেই সেই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে যে, মার্কিন বাহিনী পাকাপাকিভাবে কাবুল ছাড়ার আগে বিমানবন্দরকে পুরোপুরি নষ্ট করে দিয়ে যায়। অনেক কিছুই নষ্ট করে দেওয়া হয়।
কিন্তু ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে কাতারের সাহায্যে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। হামিদুল্লা আখুন্দজাদার জানিয়েছেন, কাতার কাবুল বিমানবন্দর সহ একাধিক বিমানবন্দরকে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। তবে এখনও এই চিঠির বিষয়ে ভারতের তরফেও পাল্টা কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি।
তবে আফগানিস্তানের অসামরিক বিমান পরিষেবা দফতর থেকে দেওয়া সেই চিঠিতে তালিবানের তরফে বলা হয়েছে তারা আফগানিস্তানের কাম এয়ার ও আরিয়ানা আফগান এয়ারলাইনের বিমান চালাতে চায়। অরুণ কুমারকে লেখা চিঠিতে তালিবানদের তরফে বলা হয়েছে যে, 'দুই দেশের মধ্যে যাত্রী পরিবহনে যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তাই এই অনুরোধ করা হচ্ছে।' একই সঙ্গে তালিবানদের তরফে নিরাপত্তার বিষয়টিকেও ভারতকেও আশ্বস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভারত এখনও কাবুলে তালিবানিরাজ নিয়ে সরকারি ভাবে কোনও বার্তা দেয়নি। তবে গত কয়েকদিন আগে রাষ্ট্রসংঘের ভাষণে আফগানিস্তানের মানুষের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পাশাপাশি আফগানের মাটি যাতে জঙ্গি কার্যকলাপে না ব্যবহার হয় সেই বার্তাও দেওয়া হয়।












Click it and Unblock the Notifications