২০ মিনিটে রক্তে করোনার অ্যান্টিবডি সনাক্তকরণের উপায় আবিষ্কার! জানুন বিস্তারিত
একটি পোর্টেবেল অ্যানালাইজারের মাধ্যমে মাত্র ২০ মিনিটে রক্তে অ্যান্টি অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েনজা ভাইরাস অ্যান্টিবডির সনাক্তকরণে আগেই সফল হয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেইমতো ওই পোর্টেবেল অ্যানালাইজারের বিকাশ করেন তাঁরা। এবার এই প্রযুক্তিকেই করোনার অ্যান্টিবডি সনাক্তকরণে ব্যবহার করা হবে।

করোনার অ্যান্টিবডি সংক্রান্ত এই গবেষণা
করোনার অ্যান্টিবডি সংক্রান্ত এই গবেষণার কাজের সঙ্গে একটি দল যুক্ত রয়েছেন। যার মধ্যে কেইন নিশিয়ামাও রয়েছেন। তিনি হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটির গ্র্যাজুয়েট স্কুল অফ কেমিকাল সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়রিংয়ের ছাত্র।

অ্যানালাইজার আবিষ্কারের এই গবেষণা
এই দলে রয়েছেন হোক্কাইডো ইউনিভার্সিটিরই ইঞ্জিনিয়রিংয়ের প্রফেসর মানাবু টোকেশি। তাঁরাই কোরোনার নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডির দ্রুত চিহ্নিতকরণের জন্য নতুন প্রক্রিয়া ও অ্যানালাইজার আবিষ্কারের এই গবেষণা করেছেন।

অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েনজা রোগ
ইনফ্লুয়েনজা এ ভাইরাস সংক্রমণের ফলে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েনজা রোগটি হয়। অ্যানালাইজারটিকে ছোটো ও পোর্টেবেল করার জন্য এফআইপিএ উপর ভিত্তি করে এই অ্যান্টিবডি সনাক্তকরণের প্রক্রিয়াটি তৈরি করা হয়েছে। এই অ্যানালাইজারের ওজন মাত্র ৫.৫ কিলোগ্রাম। এই অ্যানালাইজারের সাহায্যে একসঙ্গে অনেক নমুনা পরীক্ষা করতে সক্ষম হয়েছিল গবেষক দলটি।

কী বলছেন বিজ্ঞানী
প্রফেসর টোকেশি জানান, নভেল কোরোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের টুকরোর পুনরুৎপাদন করে এবং সেটিকে রিএজেন্ট হিসেবে ব্যবহার করলে অ্যানালাইজ়ারটি কোরোনা মোকাবিলায় অ্যান্টিবডি সনাক্ত করতে সক্ষম হবে।

প্রোটিনের টুকরো ব্যবহার করা হয়েছে
অ্যান্টি এইচ৫ অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েনজা ভাইরাস অ্যান্টিবডির সনাক্তকরণে একটি রিএজেন্টেরও বিকাশ করেছে গবেষকদের এই দল। এই রিএজেন্টের পুনরুৎপাদনে হেমাগগ্লুটিনিন প্রোটিনের টুকরো ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রোটিনের টুকরো এইচ৫ অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েনজা ভাইরাসের পরিসর থেকে পাওয়া গেছে। এই এইচ৫ অ্যান্টিবডিকে ২০ মিনিটের মধ্যে মাত্র ২ মাইক্রোলিটার সিরামের নমুনা থেকে সনাক্ত করা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications