রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ : স্তব্ধ শহর, বাঁচার তাগিদে পায়ে হেঁটে হাঙ্গেরির পথে ইউক্রেনবাসী
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ : স্তব্ধ শহর, বাঁচার তাগিদে পায়ে হেঁটে হাঙ্গেরির পথে ইউক্রেনবাসী
যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে দিয়েছে রাশিয়া। যার জেরে চিন্তিত হয়ে পড়েছে ভারতও। রাশিয়া বিশেষত ইউক্রেনের উত্তর সীমান্তে আক্রমন চালাচ্ছে। থেমে থাকেনি ইউক্রেনও। গুলি বর্ষণও হয়েছে। মারিউপোল ও ওডেসারের তীরে রাশিয়ান নৌবাহিনী পৌঁছে গিয়েছে। ভয়ে শহর ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে ইউক্রেনবাসী। হাঙ্গেরিতে পালাচ্ছে অনেক মানুষ। দেখা যাচ্ছে সারি সারি গাড়িকে। যারা ইউক্রেন থেকে হাঙ্গেরিতে যাচ্ছে। শুধু নয়, বাঁচার তাগিদ সবার আগে! তাই পয়ে হেটেও অনেক বাসিন্দারা কিন্তু হাঙ্গেরির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।

ক্রিস্টিয়ান সাজাভলা কী বললেন
স্তব্ধ পুরী ইউক্রেন। নিজেদের প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে হাঙ্গেরির উদ্দেশ্যে বহু মানুষ। এই ঘটনার জন্য ফাঁকা ক্যাশ মেশিন ও সুপারমার্কেটও। লাইন বাড়ছে পেট্রোল স্টেশনেও। ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় ট্রান্সকারপাথিয়া থেকে হাঙ্গেরিতে আসা একজন ব্যক্তি নাম ক্রিস্টিয়ান সাজাভলা বলেন, যুদ্ধের কারণে নিরাপত্তার অভাবে মানুষ ইউক্রেন ছেড়ে হাঙ্গেরিতে পালাচ্ছে। পেট্রোল স্টেশনের ২৮ বছরের এক যুবক বলেন, পাহাড়ের ওপারের শহরে বোমা ও গুলির আওয়াজে আমাদের ঘুম ভেঙেছে। বারবার আঁতকে উঠছে। আমরা আর এইসবের মধ্যে আমরা যেতে চাই না।

ফাঁকা হচ্ছে এটিএম
ট্রান্সকারপাথিয়া অঞ্চলটি কার্পাথিয়ান পর্বতশ্রেণী থেকে বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন। এই জায়গায় প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার লোক বাস করে। সজাভলা নামে একজন বলেন, কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে পেট্রোলের জন্য। ব্যাঙ্কের এটিএমগুলি প্রায় খালি। টাকা প্রায় ফাঁকা। দোকানেও প্রায় অর্ধেক হয়ে যাচ্ছে। তিনি বর্তমানে তার বন্ধুর সঙ্গে থাকবেন বলে জানিয়েছেন।

পায়ে হেটে গন্তব্য যাচ্ছে শরণার্থী
পেশাদার বলেছেন, পেট্রোল পাম্পের কারণে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। খালি। ভিড়ের কারণে দোকানের তাকগুলি সাফ হয়ে যাচ্ছে। তিনি বর্তমানে পূর্ব হাঙ্গেরিতে বন্ধুদের সাথে সাময়িকভাবে থাকার পরিকল্পনা করছেন৷ হাঙ্গেরির পুলিশ জানিয়েছেন, সীমান্ত থেকে হাঙ্গেরির জন্য অনেক লোক অপেক্ষা করছে। গাড়ির লাইন পড়ে গিয়েছে। হাঙ্গেরির ও ইউক্রেনের মধ্যে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। পুরো জায়গাটা কিন্তু ভর্তি। শুধুমাত্র ইউক্রেন বাসীর জন্য। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ৪০০থেকে ৫০০ জন শরণার্থী পায়ে হেটে আসছে। শুধু নিরাপত্তা ও বাঁচার তাগিদে।

ভ্যাসিল মোলডোভান কী জানালেন
কয়েকশ মহিলা, শিশু সিগেতুল মারমাটিয়ে সীমান্ত পার হয়েছেন পায়ে হেটে। এমনটাই দেখানো হয়েছে একটি টেলিভিশনে। কিছু মানুষ নিরাপত্তার জন্য ইউরোপের পোল্যান্ডে যাচ্ছেন এমনটাই জানিয়েছেন মেয়র ভ্যাসিল মোলডোভান।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভাসিল ড্যাঙ্কুর কী বললেন
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভাসিল ড্যাঙ্কুর জানান, ৬টি বা ৭ টি অঞ্চলে সম্ভাব্য শরণার্থীরা থাকার পরিকল্পনা করছে। আমরা ইউক্রেনের যুদ্ধের মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।












Click it and Unblock the Notifications