Russia-Ukraine Crisis: রাষ্ট্রসংঘে আবারও ভোটদানে বিরত! ছাত্রছাত্রীদের ইউক্রেনের ৩ শহরে সরতে বলল ভারত
রাষ্ট্রসংঘে ফের রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোটদানে বিরত ভারত (India)। এদিন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের দাবি করে প্রস্তাব গৃহীত হয়। সেখানে ভারত-সহ ৩৫ টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। অন্যদি
রাষ্ট্রসংঘে ফের রাশিয়ার (Russia) বিরুদ্ধে ভোটদানে বিরত ভারত (India)। এদিন রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের দাবি করে প্রস্তাব গৃহীত হয়। সেখানে ভারত-সহ ৩৫ টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। অন্যদিকে ভারতীয়দের ইউক্রেনের (Uktaine) দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভ থেকে সরে নিকটবর্তী তিনটি শহরে যেতে বলা হয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘে আরও একবার ভোটদানে বিরত ভারত
রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার নিন্দা করে সেনা প্রত্যাহারের দাবি করে প্রস্তাব পাশ হয়েছে এদিন। পক্ষে ভোট পড়েছে ১৪১ টি। বিপক্ষে পড়েছে ৫ টি দেশের ভোট। ভোটদানে বিরত থেকে ভারত-সহ ৩৫ টি দেশ। ভারতের তরফে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার ৪৯৮ জন সেনার মৃত্যু
এদিন রাশিয়ার তরফে জানানো হয়েছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তাদের দেশের ৪৯৮ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেন জানিয়েছে এখনও পর্যন্ত তাদের দেশে প্রায় ২ হাজার সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার হামলায় পরিবহণ, হাসপাতাল, কিন্ডারগার্টেন, বাড়ি-সহ শতশত পরিকাঠানো ধ্বংস করা হয়েছে। মৃতদের মধ্যে বহু সংখ্যায় শিশু ও মহিলারা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেন।
|
ভারতীয়দের যেতে হবে ইউক্রেনের তিনটি শহরে
অন্যদিকে এদিন ভারত সরকারের তরফে অ্যাডভাইসরি জারি করে বলা হয়েছে, সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের খারকিভ ছাড়তে হবে। কেননা রাশিয়া ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শহরে মুহূর্মুহু গোলাবর্ষণ করে চলেছে। অ্যাডভাইসরিতে বলা হয়েছে, ভারতীয়রা যেন পিসোচিন (১১ কিমি), বাবাই (১২ কিমি) কিংবা বেজলিউদিভকা (১৬ কিমি)এ- সরে যান। ভারতীয় এদিন বলা হয়েছে ইউক্রেনের সময় সন্ধে ছটায় মধ্যে তাদের পদক্ষেপ করতে হবে। পাশাপাশি আরও বলা হয়েছে, যদি তাঁরা বাস কিংবা অন্য যানবাহ খুঁজে না পান তাহলে পায়ে হেঁটেই যেন ওই তিন শহরের দিকে চলে যান।

নির্দেশিকায় বিপাকে ভারতীয় ছাত্ররা
এদিকে খারকিভে আটকে পড়া শতশত ছাত্রছাত্রীকে ছয়ঘন্টার মধ্যে সীমান্তে রিপোর্ট করার নির্দেশিকায় বিপাকে পড়েন। তাঁরা বলছেন, সেখানে বাস, ট্যাক্তি কিংবা ট্রেনে চড়ার মতো সুযোগ নেই। কীভাবে তাঁরা সীমান্তে পৌঁছবেন, সেই প্রশ্নও করেছেন ছাত্রছাত্রীরা। তাঁরা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের ট্রেনে উঠতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অন্য পরিবহণে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications