স্বামীর মৃত্যুর পর কীভাবে পাকিস্তান থেকে দূরে সরতে হয়েছিল সন্ত্রাসীর স্ত্রীকে, নিজেই জানালেন সেকথা
স্বামীর মৃত্যুর পর কীভাবে পাকিস্তান থেকে দূরে সরতে হয়েছিল সন্ত্রাসীর স্ত্রীকে, নিজেই জানালেন সেকথা
পাকিস্তান সম্পর্কে জানা কারোর কাছে অজানা নয়। পাকিস্তান থেকে আসা রাজিয়া বিবি এক সন্ত্রাসীর স্ত্রী এর প্রমাণ দিয়েছেন। রাজিয়া বিবি একজন কাশ্মীরি মহিলা যিনি একজন পাকিস্তানীকে বিয়ে করেছিলেন।

রাজিয়া বিবি কী জানালেন
ভারতে এসে রাজিয়া বিবি ভারতে জানান, তিনি যখন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে থাকতেন তখন তাঁর জীবনযাপনে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর মারা যাওয়ার পর সবাই তাঁকে দূরে সরিয়ে দেন।

‘পাকিস্তান নাগরিকদের যত্ন নেয় না’
তিনি আরও বলেন, 'আমি কিছু টাকা সংগ্রহ করেছি এবং ভারতে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ভারতে ফিরে আসা একটি খুব ভাল সিদ্ধান্ত। আমার সন্তানরা সত্যিই খুশি। পাকিস্তান তাদের নিজস্ব নাগরিকদের যত্ন নেয় না, যারা এখান থেকে যাবে তাদের জন্য তারা কী করবে? পাকিস্তানে কোনও মানবতা নেই'।

ব্রেন ওয়াশ করিয়ে সন্ত্রাসের পথে নিয়ে যায়
এবং তার স্বামীর মৃত্যুর পরে তার ভাগ্যের জন্য হিজবুল নেতৃত্ব ত্যাগ করেছিলেন একটি সংবাদ সংস্থার সাথে কথা বলার সময় বলেছিলেন যে ইসলামের নাম অপব্যবহার করে কাশ্মীরের যুবকদের জীবন ধ্বংস করা হচ্ছে। রাজিয়া সেসব সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে সহ্য করতে পারেন না। সেই সঙ্গে দেন তাদের অভিশাপও। কারণ যারা তাঁর স্বামীকে ব্রেন ওয়াশ করিয়ে সন্ত্রাসের পথে নিয়ে গেছিল।

সন্ত্রাসীর স্ত্রী জানান
রাজিয়া জানান, রাজিয়ার স্বামী হিজবুল মুজাহিদ্দিনের সন্ত্রাসী ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর স্বামীকে ২০১৮ সালে সেনাবাহিনী তাকে একটি এনকাউন্টারে হত্যা করেছিল। তাঁর মৃত্যুর পর সন্তানদের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেছিল। দু'বেলা খাবার জুটত না। পরার মত বস্ত্র ছিল না। খুব অভাবের সাথে চলত সংসার। তিনি আরও বলেন, কাশ্মীরের যুবকদের ইসলামের নামে বিপথগামী করা হচ্ছে।

শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কী বললেন
শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, অন্য একটি উন্নয়নে, কাশ্মীরে বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর প্রথমবারের মত উপত্যকায় সক্রিয় সন্ত্রাসীদের মোট সংখ্যা ২০০-এর নিচে নেমে এসেছে। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার কাজিগুন্ড এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রেখে কাশ্মীরের পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) বিজয় কুমার এবং সেনাবাহিনীর ১৫ কোরের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডিপি পান্ডে বলেছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল কী জানলেন
লেফটেন্যান্ট জেনারেল পান্ডে বলেন, "এই বছর পরিচালিত বেশিরভাগ অপারেশন ছিল মানুষের বুদ্ধিমত্তার উপর ভিত্তি করে," আরও জানান, যে উপত্যকায় সক্রিয় সন্ত্রাসীদের সংখ্যা ১৮০-এ নেমে এসেছে। কুমার বলেন, বিদ্রোহ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম কাশ্মীর জুড়ে সক্রিয় সন্ত্রাসীদের সংখ্যা ২০০এর নিচে নেমে এসেছে। তিনি বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসীদের সংখ্যা ১০০-এর নিচে, ৮৫ বা ৮৬।












Click it and Unblock the Notifications