• search

দায়ী কে - শিক্ষক না অভিভাবক? ঐক্য ফ্রন্টের নেতা কে?

  • By Bbc Bengali
Subscribe to Oneindia News

বাংলাদেশে এখন পুরোদমে নির্বাচনী বাতাস বইছে। তাহলে নির্বাচন সংক্রান্ত একটি চিঠি দিয়েই এবারের এডিটর'স মেইলকক্স শুরু করা যাক।

প্রথমে লিখেছেন ঢাকার গেণ্ডারিয়া থেকে মাহবুবা ফেরদৌসি হ্যাপি:

''এ মাসের চার তারিখে আপনাদের ওয়েবসাইটে 'ঐক্য ফ্রন্ট জিতলে প্রধানমন্ত্রী হবেন কে?' শীর্ষক প্রতিবেদনটি পড়লাম। পড়ে মনে হলো, রাজনীতিতে আসলে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। মওদুদ আহমেদ প্রচ্ছন্নভাবে যে বিষয়টির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন, তা রাজনীতিতে অসম্ভব নয়। রাজনীতিতে আজকের শত্রু, কালকেই মিত্র। তাছাড়া, সংসদীয় গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যারাই সিদ্ধান্ত নিবে কে হবে তাদের প্রধানমন্ত্রী। এ নিয়ে সরকারী দল এত চিন্তিত কেন? আমার তো মনে হয় সাধারণ ভোটাররাও এ নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়।''

আপনার সাথে একটু দ্বিমত পোষণ করবো মিস ফেরদৌসি। সংসদ নির্বাচন দল-ভিত্তিক হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাই প্রধানমন্ত্রী হন। সেখানে কোন্‌ দলের কে নেতা, অর্থাৎ কোন্‌ দল জিতলে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, সেটা জানার অধিকার জনগণের আছে। আর ঐক্য ফ্রন্টের নেতা নিয়ে যে বিভ্রান্তি আছে, সেটা নিয়ে সরকারী দলকে চিন্তিত মনে হয় না, তবে তারা এটা নিয়ে কিছুটা খেলা করার সুযোগ নিচ্ছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

চলতি সপ্তাহে বাংলাদেশে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় নি:সন্দেহে ভিকারুন্নেসা স্কুলের একজন শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা। অনেকেই ছাত্রীর অভিভাবকের সাথে শিক্ষকদের আচরণকেই এই ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন এবং সরকারও ইতোমধ্যেই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। এই বিষয়ে মতামত দিয়ে লিখেছেন খুলনার দাকোপ থেকে মুকুল সরদার:

''দুর্নীতি আর রাজনৈতিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য ব্যক্তিদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রদান বন্ধ করা না হলে এ ধরণের ঘটনা চলতেই থাকবে। আমি প্রত্যাশা করবো, ভিকারুন্নেসা স্কুল এ্যান্ড কলেজের এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহলের টনক নড়বে এবং ভবিষ্যতে আর কোনো অরিত্রীকে যাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপমানিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে না হয় সে বিষয়টিতে গুরুত্বারোপ করা হবে।''

তবে ভিন্ন মত পোষণ করে লিখেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট থেকে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান:

''বিবিসিসহ সব গণমাধ্যমে শিক্ষককে অপরাধী বলা হচ্ছে। ভিকারুন্নেসা স্কুলের নিয়ম ছিলো নকল করাটা অন্যায়। তাছাড়া বাবা-মা একজন মাধ্যমিক শিক্ষার্থীর হাতে কি জন্য স্মার্ট ফোন তুলে দিলেন? এখন আমি যদি বলি, যে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার সন্তান যদি তার পিতা/মাতার অপমান সহ্য করতে না পেয়ে আত্মহত্যা করে, তার দায়ভার কে নিবে?''

আপনাদের ধন্যবাদ মি: সরদার এবং মি: রহমান। অনেকেই বলছেন যে এখানে শিক্ষকের আচরণই দায়ী এবং কিশোর ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে তাদের আরো সহনশীল আচরণ করতে হবে। তবে একথাও ঠিক, ভিকারুন্নেসা স্কুলের শিক্ষার মান ঢাকার অনেক স্কুলের চেয়ে বেশি । তার মানে, সেখানকার শিক্ষকরা অযোগ্য, এ'কথাটা বলা ঠিক হবে না। তাছাড়া, আমার মনে হয় কিশোরদের ভাল-মন্দ দেখা-শোনার জন্য অভিভাবকদের ভূমিকাই যে মুখ্য, সেকথা অনেকেই ভুলে গেছেন।

আমাদের ফেসবুক পেজ নিয়ে বিভ্রান্তিতে আছেন ঠাকুরগাঁও-এর একজন পাঠক। হরিপুর থেকে লিখেছেন করিমুল ইসলাম প্রতাপ:

''এক সময় দেখতাম ফেসবুকে বিবিসির দুটো ভিন্ন পেজে ভিন্ন খবর দেওয়া হতো। একটিতে সব খবর, অন্যটিতে ইসলামিক রাষ্ট্রের সব ধর্মিয় খবর। আমি এখনো বুঝে উঠতে পারিনা কোনটি বিবিসির আসল পেজ। নকল পেজ শনাক্ত করতে কি বিবিসি বাংলা হোম পেজে ফোন নম্বর যোগ করতে পারে না?''

বিভ্রান্ত হবার তো কোন কারণ নেই মি: ইসলাম। আমাদের পেজে বিভিন্ন ধরণের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বিষয়ে খবর থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক। কোন পেজে যদি শুধু ধর্মীয় খবর দেখেন, তাহলে সেটা অবশ্যই আমাদের না। বিবিসি বাংলার আসল পেজে নামের পাশে নীল-এর ওপর একটি সাদা টিক চিহ্ন দেখতে পাবেন, যার মানে এটাই বিবিসি বাংলার verified page.

বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে খবর।
BBC
বিবিসি বাংলার ওয়েবসাইটে খবর।

আমাদের ওয়েবসাইটে একটি ভুল নিয়ে লিখেছেন ঢাকা থেকে মোহাম্মদ বায়াজিদ হোসেইন:

''ভুল যাতে না হয় সেটা নিশ্চিত করতে আপনাদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। পাঁচ তারিখে আপনাদের ওয়েবসাইটে 'ঢাকায় ছেলের মৃতদেহ নিয়ে বাবা আত্মসমর্পণ করলো' শিরোনামে যে খবর প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত বলা হয়েছে । এটা অপ্রত্যাশিত। আমি প্রায়ই এরকম ভুল লক্ষ্য করি।''

আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ মি: হোসেইন। আমাদের প্রতিবেদনের তৃতীয় প্যারাগ্রাফটা শুরু হয়েছিল এভাবে, 'শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান বিবিসি নিউজ বাংলাকে জানিয়েছেন, বাবা এবং জীবিত শিশুটিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে'। পড়ে মনে হচ্ছে আমরা ভুল করেছি। কিন্তু আসলে না। ঐ ঘটনায় দু'টি শিশু ছিল। একজন মৃত, যাকে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয় আর অন্যটি জীবিত ছিল যাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হ্যাঁ, বাক্যটি অন্যভাবে লেখা উচিত ছিল যাতে শুরুতেই বোঝা যায় যে সেখানে দুটি শিশু জড়িত।

সকালের অধিবেশন প্রত্যুষা নিয়ে একটি প্রশ্ন করে লিখেছেন চট্টগ্রামের পটিয়া মাদ্রাসা থেকে মুহাম্মদ নুরুল কবির রামুভী:

''বিবিসি বাংলার সকালের রেডিও অনুষ্ঠান শুনতে খুব ভালো লাগে, এবং এই অনুষ্ঠান শুনার সময়ও আমার হাতে থাকে। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে অল্প নিউজ শুনে মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে যায়। এই অনুষ্ঠানে এত অল্প নিউজ প্রচার করেন কেন? আরো অধিক গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রচার করা যায় না?''

আপনার সাথে আমি একমত মি: কবির, প্রত্যুষায় নিউজের সংখ্যা আরেকটু বাড়ানো উচিত। এখানে সমস্যা হচ্ছে, সংবাদ পর্যালোচনার জন্য যথেষ্ট সময় দিতে গিয়ে খবরের সংখ্যা কমাতে হয়। এই অনুষ্ঠানের জন্য সংবাদ পর্যালোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু এটা দিনের প্রথম অধিবেশন।

আবার ফিরে আসছি ঢাকার ভিকারুন্নেসা স্কুলে একজন ছাত্রীর আত্মহননের বিষয়তে। লিখেছেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর থেকে মেনহাজুল ইসলাম তারেক:

''আমাদের দেশে শিক্ষক নামের এই কলঙ্কগুলোর জন্যই দেশ নৈতিকতা হারাচ্ছে, দুর্নীতি তে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে। অরিত্রি নকল করুক আর যাই করুক তার শাস্তি স্বরূপ ঐ ছোট্ট শিশুর সামনে তার পিতামাতাকে অপমান করা কোনমতেই মেনে নেয়া যায় না!

''আমি অরিত্রির আত্মহত্যার জন্য উক্ত কলেজে'র প্রিন্সিপালকে খুনের আসামী করার দাবি জানাচ্ছি। আমার প্রশ্ন, পরীক্ষার হলে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে দিলো কেন হল গার্ড? পুরো স্কুল কর্তৃপক্ষ এই হত্যার পিছনে দায়ী বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সুষ্ঠু বিচার দাবী করছি।''

আপনি তো শুরুতেই প্রিন্সিপালসহ পুরো স্কুল কর্তৃপক্ষকে হত্যার জন্য দায়ী করে ফেলেছেন মি: ইসলাম। তাহলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে কী লাভ? সুষ্ঠু বিচারেরও তো কোন প্রয়োজন নেই, কারণ আপনি ইতোমধ্যেই স্থির করে ফেলেছেন তারা দায়ী। কিন্তু না, আমার মতে ঘটনাটিকে ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করা উচিত। বাংলাদেশে পরীক্ষায় নকল মহামারীর আকার ধারণ করেছে, কাজেই ভাল স্কুলগুলোকে কঠোর হতেই হবে। এবং অভিভাবকদের বড় দায়িত্ব আছে তাদের সন্তানদের সেভাবে গড়ে তোলা যাতে তারা নকল করা থেকে বিরত থাকে। আপনাকে ধন্যবাদ।

ছাত্রী আত্মহত্যার মত ঘটনা রোধে কাউন্সেলিং-এর কথা বলছেন খুলনার কপিলমনির বাসিন্দা মোহাম্মদ শিমুল বিল্লা বাপ্পি:

''বয়ঃসন্ধি কালে একজন ছাত্র /ছাত্রী আবেগ তাড়িত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।ভারত এবং বাংলাদেশে আত্মহত্যা করার প্রবণতা অনেক বেশি। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এই ধরনের অসুবিধার জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ থাকেন । ছাত্রদের কাউন্সেলিং করা হয় যাতে করে তারা আত্মহত্যার পথ বেছে না নেয়। স্কুল কলেজ পর্যায়ে এই ধরনের কোন ব্যবস্থা আমার জানা নাই। বাংলাদেশে যদি স্কুল পর্যায়ে মানসিক চাপ নেবার শিক্ষা ছাত্রদের দেয়া যেত, তাহলে অনেক মূল্যবান জীবন হয়তবা আমরা রক্ষা করতে পারতাম।''

আপনি ঠিক বলেছেন মি: শিমুল বিল্লা, ছাত্র-ছাত্রীদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা জরুরী। তবে আগেই যেটা বলছিলাম, এখানে স্কুল-কলেজের চেয়ে বাবা-মার দায়িত্ব বেশি। আপনাকে ধন্যবাদ।

বিবিসি বাংলায় প্রচারিত সংবাদের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে লিখেছেন গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইর থেকে ফয়সাল আহমেদ সিপন:

''মাঝে মধ্যে বিবিসি বাংলায় এমন কিছু সংবাদ প্রচার হয়, যা বিশ্বমানের এই প্রচার মাধ্যমের জন্য মানানসই মনে হয় না। আমি জানতে চাই, কোন্‌ মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিবিসি কোনো সংবাদ প্রচার করে থাকে ?''

আপনি যদি দু-তিনটি উদাহরণ দিতেন মি: আহমেদ, তাহলে আমি বুঝতে পারতাম ঠিক কোন ধরনের সংবাদ নিয়ে আপনার আপত্তি এবং আপনার প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট জবাব দেয়া সম্ভব হতো। যাই হোক, কিছু পরিবর্তন নিয়ে একটু আলাপ করা যেতে পারে এখানে।

ডিজিটাল যুগে সংবাদের সংজ্ঞার পরিবর্তন হয়েছে, তার সাথে কী ধরণের সংবাদ বিবিসি প্রচার করবে তারও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। যারা শুধু রেডিও শুনে অভ্যস্ত, তাদের জন্য অনলাইন বা সামাজিক মাধ্যমের পরিবেশনা বেশ বেমানান মনে হতে পারে। কিন্তু মাধ্যমের পরিবর্তনের সাথে কোন্‌টা খবর, কোন্ খবর কীভাবে পরিবেশন করতে হবে ইত্যাদি সব কিছুতেই পরিবর্তন এসেছে। তবে আমরা যে সংবাদ নেই, সেটা শ্রোতা-পাঠকদের বিভিন্ন চাহিদার কথা মাথায় রেখে করা নেয়া হয়। সংবাদে বৈচিত্র্য আনা এখন বিবিসির একটি বড় লক্ষ্য। আপনাকে ধন্যবাদ।

কিছুটা একই অভিযোগ করে লিখেছেন ঢাকা থেকে তানজিলুর রহমান:

''বিবিসি নারী স্বাধীনতার নামে যেভাবে পাশ্চাত্যের চিন্তাভাবনা মানুষের মনে প্রবেশ করাচ্ছে তা খুবই উদ্বেগজনক। প্রথমে বিবাহর পর ধর্ষণ, তারপর এক সাক্ষাৎকার দ্বারা তারা ভালো মেয়ে এবং ওড়না ছুড়ে ফেলার বিষয়টি সামনে এনেছে। পাশ্চাত্যে যেমন step dad, step mom, half brothers and sisters বিষয়গুলো একেবারেই স্বাভাবিক, এগুলো আমাদের দেশেও ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। নারী স্বাধীনতার নামে এভাবে পাশ্চাত্যের প্রোপাগান্ডা চালানো খুবই নিন্দনীয় এবং এসব অবিলম্বে বন্ধ হওয়া উচিত।''

নারী স্বাধীনতার বিষয়কে পাশ্চাত্যের প্রোপাগান্ডা বলে উড়িয়ে দেয়া আমার কাছে মোটেই যুক্তিসঙ্গত মনে হচ্ছে না মি: রহমান। সব দেশেই নারী স্বাধীনতা, নারী-পুরুষ সমঅধিকার প্রয়োজন যাতে সবাই সাধ্যমত দেশের উন্নয়নে এবং নিজেদের উন্নয়নে কাজ করতে পারে। তাছাড়া, নারীও মানুষ এবং পুরুষের মত তাদের মানবাধিকার সমানভাবেই সম্মান করা উচিত। আর step dad, step mom তো শুধু পশ্চিমা দেশেই স্বাভাবিক না। বাংলাদেশেও কি সৎ মা, সৎ বাবা, সৎ বোন-ভাই স্বাভাবিক না?

এবারে ফোন-ইনের একটি প্রস্তাব দিয়ে লিখেছেন সাতক্ষিরা সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গাজী মোমিন উদ্দিন:

''জলবায়ু পরিবর্তন, কিভাবে লবণাক্ততা মোকাবেলা করছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ শিরোনামের সংবাদটি আমার চোখে পড়েছে বিবিসির ওয়েবসাইটের সংবাদ লিংকে। বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এটি। বাংলাদেশ এর শিকার। আমার বিশ্বাস, এটি নিয়ে একটি ফোন ইন করা গেলে, করণীয় কি কি তার অনেক পরামর্শ আসবে। ফলে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সাধারণ মানুষ একটি পথ খুঁজে পাবে। বিবিসি কি করবে সেটি?''

অবশ্যই করবো মি: মোমিন উদ্দিন। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আমরা জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে নানা ধরণের অনুষ্ঠান করে আসছি। পোল্যান্ডের সম্মেলনের দিকেও আমরা নজর রাখছি এবং ১৪ তারিখ সম্মেলন শেষ হবার পরের দিন শনিবার ১৫ তারিখে আমদের ফোন-ইন এ'বিষয়েই করবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

এবারে আমাদের একটি রিপোর্ট নিয়ে মন্তব্য করে লিখেছেন ভোলার লালমোহন থেকে মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান:

''এ'মাসের ৬ তারিখে, বাবরি মসজিদ নিয়ে বিবিসি হিন্দি সার্ভিসের রেহান ফজলের লেখা বিশ্লেষণধর্মী চমৎকার প্রতিবেদনটি পড়লাম। এটি পড়ে মনে হলো, বাবরী মসজিদ তৈরি করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন সম্রাট বাবর, আর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নরসিমহা রাও এটি প্রচ্ছন্নভাবে ধ্বংস করতে সহায়তা করে হয়েছিলেন এর খলনায়ক। বাবরী মসজিদের এক একটি গম্বুজ ধ্বংস ছিল, একটি সভ্যতার পতন। ইতিহাস মুছে ফেলার চক্রান্ত। নরসিমহা রাও এর দায় কোন ভাবেই এড়াতে পারে না। ইতিহাস তাকে কোন দিন ক্ষমা করবে না।''

আপনার সেন্টিমেন্টের সাথে আমি একমত মি: রহমান, যে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশে বর্তমান রাজনীতি নিয়ে একটি চিঠি, লিখেছেন ঢাকা থেকে মোহাম্মদ ইয়াসিন:

''বিবিসিকে আমি অভিনন্দন জানাচ্ছি সংবাদের ভেতরের সংবাদ নির্ভুল ভাবে তুলে ধরার জন্য । তবে আমি চাই এই খবরটাও প্রচার করা হোক, যে কী ভাবে বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ , বিরোধী জোট জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের পেছনে লেগে আছে।

''আওয়ামী লীগ যদি সত্যিই চাইতো ঐক্য ফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করুক , তাহলে সামান্য কিছু ভুলের জন্য এতো মনোনয়ন বাতিল করতো না। এবং নির্বাচন সামনে নিয়ে শত শত বিরোধী নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করতো না । এতে পরিষ্কার বোঝা যায় , ঐক্য ফ্রন্ট নির্বাচনে যাবে সেটা তারা মেনে নিতে পারছে না।''

বাংলাদেশের রাজনীতিতে দলগুলো একে অপরের পেছনে সব সময়েই লেগে থাকে মি: ইয়াসিন, নির্বাচনের সময়ে আরো বেশি। আর যেসব প্রার্থীর আবেদনপত্র নাকচ হয়েছিল, তাদের অনেকেই আপিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহাল রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তবে আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন, বিরোধী জোটকে হেনস্তা করার কোন সরকারী পদক্ষেপের প্রমাণ আমাদের কাছে আসলে সেটা আমরা অবশ্যই প্রচার করবো। কিন্তু অনুমান, ধারণা বা আন্দাজের ভিত্তিতে আমরা কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ প্রচার করা থেকে বিরত থাকবো।

এবারে কিছু চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করা যাক:

এস এম আব্দুস সামাদ, উলিপুর, কুড়িগ্রাম।

সম্পদ পোদ্দার বলরাম, শেরপুর, বগুড়া।

মোহাম্মদ আদম মিয়া, লালমনিরহাট।

হাসিব মাহমুদ মোশাররফ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর ।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সুজন, খালিশপুর, খুলনা।

হাসান আল সাইফ, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।

মাহফুজ সরদার, ঢাকা।

শামীম উদ্দিন শ্যামল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

বিবিসি বাংলার খবর নিয়ে আপনাদের মতামত, প্রতিক্রিয়া, অভিযোগ কিংবা পরামর্শ থাকলে আমাদের কাছে লিখতে পারেন:

ইমেইল ঠিকানা: bengali@bbc.co.uk

ফেসবুক পেজ: www.facebook.com/BBCBengaliService/

BBC
English summary
Question rises over oikyo front leader in Bangladesh

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X