সরকারের সিদ্ধান্তে বিদ্রোহ ইজরায়েলি এয়ার ফোর্সে! প্রবল চাপে নেতানিয়াহু
ইজরায়েল জুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ। ক্রমশ খারাপ হচ্ছে সে দেশের পরিস্থিতি। এমনকি সর্বশক্তিমান ইজরায়েলের বায়ুসেনা এই বিক্ষোভে শামিল হয়েছে। আর তাতে চাপ আরও বাড়ছে।
ইজরায়েলি বিমান বাহিনীতে বিদ্রোহ! সম্প্রতি সে দেশে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সরকার বেশ কিছু বিচারব্যবস্থায় বেশ কিছু সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর এরপরেই প্রতিবাদে সে দেশের সাধারণ মানুষ। আর এই অবস্থায় ৩০ টিরও বেশি রিজার্ভ ইজরায়েলি বিমান বাহিনীর পাইলট প্রশিক্ষণ বা রিজার্ভ ডিউটিতে অংশগ্রহণ করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন।

যা নিয়ে ইজরায়েলের মাটিতে কার্যত চরম অব্যবস্থার একটা ছবি দেখা যাচ্ছে।
আর এই অবস্থায় সে দেশের বিমানবাহিনীর একটি স্কোয়াড্রোন 69-এর পাইলটরা তাঁদের কমান্ডিং অফিসারকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন যে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তাঁর অবস্থান থেকে না সররলে তাঁরা কোনও প্রশিক্ষণ দেবেন না। স্কোয়াড্রোন 69 সে দেশের বিমানবাহিনীর অন্যতম একটি অভিজাত ইউনিট।
শুধু তাই নয়, সে দেশের প্রকাশিত খবর মোতাবেক, এই স্কোয়াড্রোনের হাতে F-15 থান্ডারবার্ডের মতো যুদ্ধবিমান রয়েছে। দূরে থাকা শত্রুর পক্ষে হামলা করতেই এই ফোর্সকে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে ২০০৭ সালে এই স্কোয়াড্রন এবং এর রিজার্ভ এই বাহিনী সিরিয়ার একটি পরমাণু ঘাঁটিতে কার্যত হামলা চালিয়েছিল।
তবে F-15 স্লোয়াড্রোনের৩৭ জন পাইলট এবং নাবিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, আগামিদিনের মহড়াতেও তাঁরা অংশ নেবেন না। যদিও এই সিদ্ধান্তকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট। বিষয়টি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা যেমন বলেছেন তেমনই এই ধরনের সিদ্ধান্ত সেনাবাহিনীকে ক্ষতি করবে বলেও সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেছেন বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে।
যদিও ইজরায়েলের সেনার দাবি, কোনও অবস্থাতেই তারা ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা বিভাগের কোনও ক্ষতি হতে দেবে না। অন্যদিকে দিন কয়েক আগে ইজরায়েলের বিমান সংস্থা ক্রু মেম্বার খুঁজে পাচ্ছিল না। পাইলটরা বয়কট করার কারণে এমন পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়। এই অবস্থায় কীভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায় সে পথেই ইজরায়েল সরকার।
যদিও আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বিচারব্যবস্থায় সংস্কারের সিদ্ধান্ত থেকে না সরলে এমন অবস্থা জারি থাকবে। বলে রাখা প্রয়োজন, ইজরায়েলের বাহিনী বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ফোর্সের মধ্যে পড়ে। এমনকি সে দেশের গোয়েন্দা বাহিনকেও নিয়েও গর্ব করে বিশ্বের একাধিক দেশ। শুধু তাই নয়, গোয়েন্দা কার্যকলাপ নিয়েও একাধিক প্রশ্ন। আর এর মধ্যেই এই বিদ্রোহে যথেষ্ট চাপে ইজরায়েলের নেতানিয়াহু সরকার।
যদিও বিদ্রোহের চাপে সরকার সিদ্ধান্ত থেকে সরবে কিনা তা অবশ্য স্পষ্ট নয়।












Click it and Unblock the Notifications