পাকিস্তান সন্ত্রাস ইস্যুতে FATF-এর শাপমোচনে শেষে লবিইস্ট সংস্থার মুখাপেক্ষী! কোন ছকে ইসলামাবাদ
এযাবৎকালে যা কোনও দেখা যায়নি, তা এবার কার্যত দেখাতে চলেছে ইসলামাবাদ। সন্ত্রাসের অন্যতম আঁতুরঘর এই দেশ নিজের অন্দরে থাকা জঙ্গিদের আশ্রয় নিশ্চিত করতে এবার নয়া ছকে চলতে শুরু করেছে।
এযাবৎকালে যা কোনও দেখা যায়নি, তা এবার কার্যত দেখাতে চলেছে ইসলামাবাদ। সন্ত্রাসের অন্যতম আঁতুরঘর এই দেশ নিজের অন্দরে থাকা জঙ্গিদের আশ্রয় নিশ্চিত করতে এবার নয়া ছকে চলতে শুরু করেছে। সামনেই অক্টোবর ২১ থেকে ২৩ তারিতে রয়েছে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্সের বৈঠক। আর সেই বৈঠকে সন্ত্রাসবাদে আর্থিক সাহায্যের কারণে FATF এর ধূসর তালিকায় থাকা পাকিস্তান নিজেকে তালিকা থেকে বের করে আনতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।

পাকিস্তান, সন্ত্রাস ও আমেরিকার সংস্থা
আমেরিকার লবিইস্ট ফার্ম ক্যাটোল হিলকে কাদে লাগিয়ে
FATF এর ধূসর তালিকা থেকে বেরোনোর ছক ক।ষেছে পাকিস্তান। এই মার্কিনি সংযোগ সংস্থার প্রচার নির্ভর কাজে নিজের সন্ত্রাসি ভাবমূর্তি সরিয়ে FATF এর সামনে নিজেকে নিরীহ হিসাবে তুলে ধরতে চাইছেন ইসলামাবাদ। এর আগেও, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ ইস্য়ুতে নিজের জায়গা পোক্ত করতে আমেরিকার আরও এক সংস্থার মদত নিয়েছে জনসংযোগের আঙিনায়।

FATF অঙ্ক ও পাকিস্তান
FATF এ পাকিস্তানের সমর্থনে এখনও পর্যন্ত রয়েছে তাদের সব মরশুমের বন্ধু চিন। রয়েছে অটমন সাম্রাজ্যের তুরস্ক, আর রয়েছে উগ্রপন্থী ভাবনা চিন্তায় বিশ্বাসী মালয়েশিয়া। তবে এদের হাত ধরেও FATF এর বৈঠকে, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য ধূসর তালিকাথেকে নিজেকে বাঁচাতে পারবে না পাকিস্তান। FATF এ মোট সদস্য ৩৯ জনের মধ্যে ১২ জনের সমর্থন দরকার পাকিস্তানের। যেখানে ইসলামাবাজের সমর্থনে মাত্র ৩ টি দেশ রয়েছে। এক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ দেশ।

ট্রাম্পকে খুশি করতে...
সবমিলিয়ে পাকিস্তানের যা পরিস্থিতি তাতে ট্রাম্প সরকারকে খুশি করতে পারা পাকিস্তানের কাছে প্রয়োজনীয়। এদিকে, পাকিস্তান , চিনের সঙ্গী। ফলে আমেরিকার চিন বিরোধিতা পাকিস্তানের ওপর আঁচ ফেলতে পারে। এই দিকটি ভেবেই ওই কর্পোরেট লবিইস্ট সংস্থার দ্বারস্থ হয়েছে ইমরান সরকার। যাতে সংস্থা আমেরিকার সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক উন্নতি করে দেয়।পাশাপাশি,বাকি দেশগুলি যাতে পাকিস্তানের সমর্থনে FATF এর মঞ্চে সামিল হয়।

পাকিস্তানের মিথ্যাচার ও সন্ত্রাস
পাকিস্তান চাইছে, এই লবিইস্ট সংস্থা FATF কে বুঝিয়ে দিক যে হাক্কানি নেটওয়ার্ক আপাতত আফগানিস্তানে। পাকিস্তানের বুকে লস্কর আর কার্যকরী নেই। মাসুদ আজহারের জইশ এ মহম্মদের তাবড়ে নেতারা আফগানিস্তানে। তারা আফগান নির্ভর কর্মকাণ্ড চালায়। আর পাকিস্তান বহু সন্ত্রাসবাদীকে যোগ্য শাস্তি দিয়েছে. এই সমস্ত তথ্য FATF এ তুলে ধরার জন্য লবিইস্ট সংস্থাকে নিয়োগ করেছে ইমরান সরকার।












Click it and Unblock the Notifications