দেশ বিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে পাক সরকারের কৌশলগত অবস্থান! বড় ধাক্কা জেলবন্দী ইমরান খানের
দেশ বিরেধী কার্যকলাপের অভিযোগে পাকিস্তান সরকারের কড়া অবস্থান। সোমবার সরকার জানিয়েছে, সরকার তেহরিক-ই-ইনসাফ দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে। তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার ইসলামাবাদে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পিটিআইকে নিষিদ্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, পিটিআই-এর ওপরে বিধিনিষেধ আরোপ করার সুস্পষ্ট কারণ রয়েছে। বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণও রয়েছে। যে কারণে সরকার ওই দলের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়া শুরু করবে।

প্রসঙ্গত, ইমরান খান ১৯৯৬ সালে পিটিআই গঠন করেন। যা ২০১৮ সালে ক্ষমতায় আসে। ইমরান খান ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে দেশের সেনা কর্তাদের সঙ্গে বিবাদের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন।
গত ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগে সেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে ইমরান খান ও তাঁর দলকে বিরত রাখা হয়েছিল। তবে বাধা বিপত্তির পরেই পিটিআই-এর অনুগত প্রার্থীরা অন্য যে কোনও দলের থেকে বেশি আসন পেয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে দলের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, তারা দলকে নিষিদ্ধ করার সরকারের চেষ্টাকে কোনও ভাবেই সহ্য করবেন না। মুখপাত্রের দাবি, পিটিআই আগের থেকে শক্তিশালী হয়েছে। তারা সরকারের মুখোমুখি হতে তৈরি। গত শুক্রবার এক যুগান্তকারী রায়ে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্ট পিটিআইকে সংসদে আরও আসন দিয়েছে।
পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট পিটিআইকে জাতীয় প্রাদেশিক অ্যাসেম্বলিতে সংরক্ষিত আসন ভাগের জন্য যোগ্য ঘোষণার কয়েকদিন পরে শেহবাজ শরিফ সরকার পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার পদক্ষেপ নিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরে পিটিআই ১০৯ টি আসন নিয়ে জাতীয় পরিষদে সব থেকে বড় দল হয়ে উঠেছে।
এই মুহূর্তে ইমরান খান জেলবন্দি। অবৈধ বিয়ের কারণে ইমরান খানকে সাত বছরের সাজা দিয়েছিল আদালত। শনিবার সেই আদেশ বাতিল করে ইসলামাবাদের একটি আদালত। বর্তমানে তিনি অন্য একটি মামলায় জেলে রয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল জানিয়েছে, ইমরান খানকে আটকে রাখার আইনগত কোনও ভিত্তি নেই।












Click it and Unblock the Notifications