পুলওয়ামা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান, হাফিজ সঈদের সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা
আন্তর্জাতিক মহলের চাপের সামনে পড়ে 'অ্যাকশন' নিল পাকিস্তান। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল লস্কর-ই-তইবার প্রধান হাফিজ সঈদের সংগঠনকে।
আন্তর্জাতিক মহলের চাপের সামনে পড়ে 'অ্যাকশন' নিল পাকিস্তান। নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল লস্কর-ই-তইবার প্রধান হাফিজ সঈদের সংগঠনকে। জামাত উদ দাওয়া নামে এই সংগঠেনর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে। এমনকী জামাত-উদ-দাওয়ার ছাতার তলায় থাকা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফালাহ-ই-ইনসানিয়েত-কেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযোগ এই ফালাহ-ই-ইনসানিয়েতের নামে লস্কর-ই-তইবার জঙ্গি কার্যকলাপে আর্থিক সাহায্য যায়।

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্তা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা।
ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির এই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয় যে, প্রোসক্রাইবড অর্গানাইজেশন বা নিষিদ্ধ হওয়ার তালিকায় থাকা সংগঠনগুলি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওযা হবে। দেশের মধ্যে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে যে রিপোর্ট ন্যাশনাল সিকিউরিটি কমিটির কাছে এসেছিল ইমরান খান তা খতিয়ে দেখেন। এরপরই হাফিজ সঈদের সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়া-কে নিষিদ্ধি ঘোষণার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেন ইমরান। সেই সঙ্গে জামাত-উদ-দাওয়ার শাখা সংগঠন যা একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসাবে পরিচয় বহন করে সেই ফালাহ-ই-ইনসানিয়েত ফাউন্ডেশন-কেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
মুম্বই হামলার পর থেকেই হাফিজ সঈদ এবং জামাত-উদ-দাওয়ার বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের প্রমাণ পাকিস্তানের হাতে তুলে দিয়েছিল ভারত। কিন্তু, তারপরও ব্যবস্থা নেয়নি ইসলামাবাদ। মুম্বই হামলার ১০ বছর পর হঠাৎ করে পাকিস্তানের এই অবস্থানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, আন্তর্জাতিক মহলের চোখে নিজেদের মেকি ভালোত্ব-কে তুলে ধরতে পাকিস্তান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রশ্ন তাহলে এসেই যায়- সিদ্ধান্ত নিতে ১০ বছর কেন লাগল?












Click it and Unblock the Notifications