পাক সেনা-আদালতে ১১ তালিবানের মৃত্যুদন্ড, কী জানালেন পাক সেনা প্রধান
১১ জন 'কট্টর সন্ত্রাসবাদী'কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের এক বিশেষ সামরিক আদালত। শনিবার এখবর জানান পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া।
১১ জন 'কট্টর সন্ত্রাসবাদী'কে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে পাকিস্তানের এক বিশেষ সামরিক আদালত। শনিবার এখবর জানান পাক সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া। এই সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে অন্তত ৬০ জনকে হত্যা করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার সার্ভিসেস্ পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই জঙ্গিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিচার হয় এক বিশেষ সামরিক আদালতে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই সন্ত্রাসবাদীরা, পুলিশ এবং সেনা বাহিনীর ওপর হামলা, মালাকান্দ বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা এবং খাইবার পাখতুনখোয়া বিধানসভার সদস্য ইমরান খান মোহমিন্দসহ বহু নির্দোষ অসামরিক মানুষের হত্যাকান্ডের মতো জঘন্যতম অপরাধের সঙ্গে জড়িত'।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'অভিযুক্তরা ম্যাজিস্ট্রেট এবং ট্রায়াল কোর্টের সামনে তাদের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে এবং তাদের মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে।
এই বিচার হয়েছে সেনার তত্ত্বাবধানে। সেখানে সাধারণের প্রবেশাধিকার ছিল না। কিন্তু অভিযুক্তদের আইনজীবী নিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
পাকিস্তানে জঙ্গিদের সামরিক আদালতে বিচার তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে পেশোয়ারের একটি স্কুলে হামলার ঘটনায় ১৫০-ও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যার বেশিরভাগই ছিলেন তরুণ ছাত্র। সেই ঘটনার পর আবার পাকিস্তানে জঙ্গিদের জন্য সামরিক বিচার শুরু করা হয়।
পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের দমনে যথেষ্ট সক্রিয় নয়, এই অভিযোগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পাকিস্তান তখন দাবি করেছিল, জঙ্গিদের হাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পাকিস্তানেরই। এই প্রেক্ষাপটে পাক-তালিবান ১১ জনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়াটা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications