স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় মোদী সরকার, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপুঞ্জ-ইউরোপীয় ইউনিয়নের
স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় মোদী সরকার, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপুঞ্জ-ইউরোপীয় ইউনিয়নের
স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে ইতিমধ্যেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে মোদী সরকার। এই বিখ্যাত জনজাতি আন্দোলন কর্মী তথা মানবাধিকার কর্মীর স্বাস্থ্য অবনতির পিছনে উঠছে সরকারি অব্যবস্থার কথা। গর্জে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়াও। এমতাবস্থায় এবার স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুর ঢেউ ছড়িয়ে পড়ল বিদেশেও। স্বামীর মৃত্যুতে গোটা বিশ্বজুড়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুতে কাঠগড়ায় মোদী সরকার
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৩০ মে থেকে মুম্বইয়ে হাসপাতালেই ভর্তি ছিলেন তিনি। মাঝে করোনা আক্রান্তও হয়েছিলেন এই অশীতিপর সমাজকর্মী। ভুগছিলেন পারকিনসন্সেও। গতকাল এই হাসপাতালেই দুপর দেড়টা নাদাগ ৮৪ বছর বয়সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের আদিবাসী আন্দোলনের অন্যতম জনপ্রিয় এই মুখ। যদিও তাঁর যা শারীরিক অবস্থা ছিল তাতে আরও আগে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন ছিল বলে মত দেশের একটা বড় অংশের রাজনীতিবিদদের।

তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন
একই দাবি করেছেন স্বামীর আইনজীবী মিহির দেশাই। কিন্তু সরকারের গাফিলতির কারণেই তা সম্ভব হয়নি। ফেলে রাখা হয়েছিল জেলে। এমনকী দফায় জামিনের আবেদন করেও মেলেনি সুরাহা। গত বছরের অক্টোবরে গ্রেফতারির পর দফায় দফায় অন্তবর্তী জামিনের আবেদন করা হলে তা বারবার খারিজ করে বোম্বে হাইকোর্ট। এমতাবস্থায় এবার স্ট্যান স্বামীর মৃত্যু নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করল ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মানবাধিকার কমিশন। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার রক্ষাকারী দলের বিশেষ প্রতিনিধি মেরি লোলা টুইট করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পাত্তা পায়নি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আবেদনও
এই মর্মান্তিক খবরটি আদপেই বিধ্বংসী বলে উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় মেরি লোলাকে। সন্ত্রাসবাদের মিথ্যা অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে নয় মাস অহেতুক আটকে রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তিনি। অন্যদিকে মেরি লোলার পোস্টটিকে রিটুইট করেছেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে মানবাধিকার টিমের বিশেষ প্রতিনিধি ইমন গিলমোর। স্ট্যান স্বানীর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন তিনিও।

রাষ্ট্রপুঞ্জেও উদ্বেগেও কর্ণপাত করেনি সরকার
এমনকী ভারত সরকারের কাছে স্ট্যান স্বামীর মৃত্যুক জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঠিক কতবার আবেদন করেছিল সেকথাও টুইট বার্তায় জানান ইমন গিলমোর। কিন্তু কোনও আবেদনেই কর্ণপাত করেনি ভারত সরকার, সেকথা জানিয়েও এদিন তীব্র ভাষায় ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। তারপরেই স্ট্যান স্বামী মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানৌতর। এদিকে গত জানুয়ারি মাসেই স্বামীর স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপুঞ্জেন মানবাধিকার পরিষদও। কিন্তু তাতেও বিশেষ কর্ণপাত করেনি সরকার।












Click it and Unblock the Notifications