লাদাখ সংঘাতের উত্তাপ কমাতে মাথা নোয়াচ্ছে চিন! মস্কোয় ফের হাইভোল্টেজ বৈঠক আসন্ন
লাদাখ সংঘাতের উত্তাপ কমাতে মাথা নোয়াচ্ছে চিন!
রাজনাথ সিং ভারতের তরফে সাফ বার্তায় স্পষ্ট করেছেন যে , অনৈতিকভাবে দখলদারি মেনে নেবে না ভারত। মস্কোয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও তাঁর পারিষদদের এই বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এরপর রাশিয়ায় বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এস জয়শঙ্কর এখন পাখির চোখ ওয়াং ইর কাছে।

মস্কো ও হাইভোল্টেজ বৈঠক
লাদাখ সংঘাতের তাপ ঠান্ডা করতে একমাত্র উপায় সম্পূর্ণ ডিসএনগেজমেন্ট। আর সেই ডিসএনগেজমেন্টের রাস্তা ধরেই এবার ভারতের বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সাংহাই কো অপারেশন অর্গানাইজেশনের একটি বিশেষ বৈঠক সমস্ত বিদেশ মন্ত্রীদের নিয়ে মস্কোয় আয়োজিত হবে। আর সেখানেই এই ভারত-চিন বৈঠক চাইছে বেজিং।

জয়শঙ্কর আগেই বলেছিলেন...
মস্কোয় রাজনাথ সিংয়ের যাত্রা কালেই জয়শঙ্কর এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন যে, লাদাখ সংঘাত একমাত্র মেটাতে পারে দুউ দেশের কূটনৈতিক আলোচনা। এককালে ভারতের রাষ্ট্রদূত তথা আইএফএস অফিসার হিসাবে জয়শঙ্করের পরিচিতি সর্বজনবিদিত। এবার সেই দুঁদে আমলার ওপরেই মোদী সরকারের ভরসা। তাঁর সঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক লাদাখ-ভাগ্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে আশা।

মুখ্য উদ্দেশ্য কী থাকবে?
১৯৯৩ সালে চিনের সঙ্গে ভারতের যে সীমান্ত বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে, তার পাঠ ফের একবার চিনকে ভালোভাবে পড়ানোই একমাত্র উদ্দেশ্য থাকবে জয়শঙ্করের। লাদাখে চিনের বিস্তারবাদের নেশা ছোটাতে ভারতে একাধিক কূটনৈতিক অস্ত্রে শান দিচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, প্যানগংয়ে চিনের নতুন আগ্রাসনের প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পর পর বৈঠকের ফল শূন্য
এর আগে লাদাখ সীমান্তে, চিনের সঙ্গে সেনা পর্যায়ের বৈঠক করে ভারত। তারপর মস্কোয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ে র বৈঠক হয়। এবার বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে দুটি দেশ। সেখানে, ভারত বোঝানোর চেষ্টা করবে, চিনের সঙ্গে ৩৪৮৮ কিলোমিটারের সীমান্তে যেন চিন সেনার সংখ্যা বাড়ানো বন্ধ করে। যা ঘিরেই উস্কানি শুরু হচ্ছে লাদাখে। ফলে এই সেনার ডিসএনগেজমেন্ট এই লাদাখ এলাকায় একটি বড় ঘটনা।












Click it and Unblock the Notifications