• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

আছড়ে পড়তে চলেছে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় 'হাগিবিস', জারি হল সতর্কতা! বাতিল ১৬০০-র বেশি বিমান

আছড়ে পড়তে চলেছে প্রবল ঘূর্ণিঝড়। জানা গিয়েছে, আরও শক্তি সঞ্চয় করে আগামী কয়েকঘন্টার মধ্যেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় হাগিবিস। জাপান উপকূলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সতর্কতার জেরে কার্যত ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একের পর এক উড়ান বাতিল করা হয়েছে। সংখ্যাটা পৌঁছে গিয়েছে প্রায় ১৬০০-তে।

প্রভাব টোকিওতে

প্রভাব টোকিওতে

সেখানকার আবহাওয়া দফতর এবং টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বেশি পড়তে পারে টোকিওতে। সাধারণভাবে এখনও পর্যন্ত প্রতিঘন্টায় ১৩০ মাইল বেগে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে থাকবে ভারী বৃষ্টি। নাসার তরফে এই ঘূর্ণিঝড়কে শতাব্দীর ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

প্রশাসনের সতর্কবার্তা

প্রশাসনের সতর্কবার্তা

এই ঘূর্ণিঝড়কে ক্যাটেগরি ওয়ান পর্যায়ভুক্ত করা হয়েছে। উপকূল এলাকায় বাড়িঘর ভেঙে পড়তে পারে বলে সতর্কতা জারি করে, তা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪০-৪৫ ফুট উঁচু ঢেউ উঠতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। এদিকে সতর্কতার জেরে রাগবি বিশ্বকাপের দুটি ব্যাচ বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে প্রশাসন।

বাতিল প্রায় ১৬০০ উড়ান, বন্ধ বুলেট ট্রেন

বাতিল প্রায় ১৬০০ উড়ান, বন্ধ বুলেট ট্রেন

ঘূর্ণিঝধড় হাগিবিসের সতর্কতার জেরে প্রায় ১৬০০ মতো উড়ান বাতিল করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই শনিবারের সমস্ত উড়ান বাতিল করে দিয়েছেন নিপ্পন এয়ারওয়েজ। বুলেট ট্রেন পরিষেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

জাপানে ঘূর্ণিঝড়

জাপানে ঘূর্ণিঝড়

এর আগেও ঘূর্ণিঝড় হয়েছে জাপানে। গত বছর সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় জেবি-র হানায় বিপর্যস্ত হয়েছিল পশ্চিম জাপান। ঘূর্ণিঝড়ের হানায় সবথেকে বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন ১৯৫৮ সালে, প্রায় ১২০০ লোকের। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা হাগিবিস হয়ে উঠতে পারে শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম।

(ছবি সৌজন্য: পিটিআই)

English summary
Japan is bracing for storm Hagibis
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more